Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
CPM

আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াবে সিপিএমের ‘ঝটিকা বাহিনী’, নয়া কৌশল আলিমুদ্দিনের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলকে চাঙ্গা করার পরিকল্পনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৩, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৩, ১১:৫১

options
link
আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াবে সিপিএমের ‘ঝটিকা বাহিনী’, নয়া কৌশল আলিমুদ্দিনের zoom
ছবি: প্রতীকী

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: নয়া স্ট্র্যাটেজি আলিমুদ্দিনের। আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে ‘ঝটিকা বাহিনি’ তৈরি রাখতে চাইছে সিপিএম (CPM)। কোনও কর্মসূচিতে প্রশাসনের তরফে অনুমতি পাওয়া না গেলেও বিকল্প রাস্তা তৈরি রাখতে চায় আলিমুদ্দিন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলকে চাঙ্গা করার পরিকল্পনা আগেই হয়েছে। দলকে চাঙ্গা করতে গেলে লাগাতার আন্দোলনও চলছে। এবার কোনও আন্দোলনে দ্রুত নামতে নতুন টিম, যাকে বলা হচ্ছে ঝটিকা বাহিনী।

কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোনও আন্দোলন হোক অথবা শাসক দলের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ পেলে কর্মসূচি। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তৎক্ষণাৎ ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। বৈঠক বা আলোচনা করে সময় নিয়ে কর্মসূচি নয়। জ্বলন্ত বা হাতে-গরম ইস্যু এলেই সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গি আন্দোলন। বিজেপি নামার আগেই ইস্যুকে ধরে নেওয়া। অনেক সময় দিনক্ষণ ঠিক করে সভা সমিতি বা বিক্ষোভ কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নিতে সময় লেগে যায়। অনেক সময় আবার প্রশাসনের তরফ থেকে অনুমতিও মেলে না। ফলে সবকিছু গুছিয়ে আন্দোলনে নামতে গিয়ে ইস্যুটাই হারিয়ে যায়। তাই এ বার থেকে সরকার বা শাসকদলের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ পেলেই তৎক্ষণাৎ রাস্তায় নেমে পড়তে হবে। এমনই পরিকল্পনা বঙ্গ সিপিএমের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘নারীর অধিকার আমাদের অঙ্গীকার’, নারীদিবসে কুর্নিশ রাষ্ট্রপতি ও মুখ্যমন্ত্রীর]

বিরাট জমায়েতের অপেক্ষা না করে ছোট ছোট দলেই নামতে হবে। মিটিং, মিছিল থেকে শুরু করে রাস্তা অবরোধ সব কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে কর্মীদের। এমনই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে পার্টির তরফে। সামনে পঞ্চায়েত ভোট, তারপর লোকসভা নির্বাচন। বড় জমায়েতের থেকে স্ট্রিট কর্নার, এলাকা ভিত্তিক স্কোয়াড, বাড়ি বাড়ি প্রচার ও খাটিয়া বৈঠকে জোর দেওয়া হয়েছে। কারণ, বড় জমায়েতের থেকে এই ছোট কর্মসূচিতে মানুষের কাছে দলের বক্তব্য আরও বেশি করে পৌঁছনো যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে পথে নামতে কিছু নেতা কর্মী সমর্থকদের প্রস্তুত রাখা হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই বাহিনীকেই দেখা যাবে কেন্দ্র বা রাজ্যের পাশাপাশি গ্রামের কোনও সমস্যা নিয়েও পথে নামতে। ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলক ভাবে কয়েকটি কর্মসূচিতে সাফল্য পেয়েছে আলিমুদ্দিন।

[আরও পড়ুন: দোলের দিন বেলেল্লাপনা, গ্রেপ্তার ২১২, আজ হোলিতেও কলকাতায় থাকছে কড়া নিরাপত্তা]

পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে সিপিএমের আন্দোলনে জোর বেড়েছে। অন্য মেজাজে দেখা যাচ্ছে পার্টিকে। যেখানে গেরুয়া শিবির অনেক পিছিয়ে গিয়েছে লাল ঝান্ডার থেকে। দলে তরুণদের নেতৃত্বে আনা হয়েছে। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Mohamed Selim) দাবি করেছেন, গ্রামে গঞ্জে মিছিল-জাঠা সফল হয়েছে। মানুষের ভাল সাড়া মিলছে। রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম নিজে সারা রাজ্য ছুটে বেড়াচ্ছেন। বাকি নেতারাও দৌড়চ্ছেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছাত্র-যুবদের মেজাজটাও দেখা যাচ্ছে। বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, সুজন চক্রবর্তীদের নেতৃত্বে সিপিএমের আন্দোলনের ঝাঁঝ বেড়েছে। সিপিএমের এক রাজ্য নেতার দাবি, “গতবারের মতো এ বারের নির্বাচনে শাসকদলকে ফাঁকা মাঠে ছাড়া হবে না। আটঘাট বেঁধেই মাঠে নামবে পার্টি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.