Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Alipore

নাকে-মুখে ঠাটিয়ে চড়! আলিপুরে জনরোষে আর জি করের সঞ্জয়ের মৃত ভাগ্নির বাবা ও সৎমা

'বাচ্চা নেই, আমার আর বেঁচে থাকার কোনও অর্থ নেই', বলছেন মৃতার বাবা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৫, ১৪:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২৫, ১৪:৫৫

options
link
নাকে-মুখে ঠাটিয়ে চড়! আলিপুরে জনরোষে আর জি করের সঞ্জয়ের মৃত ভাগ্নির বাবা ও সৎমা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জনরোষে আর জি করের দোষী সঞ্জয় রায়ের মৃত ভাগ্নির সৎমা ও বাবা। মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরতেই তাঁদের উপর চড়াও হয় প্রতিবেশীরা। বধূর নাক-মুখে ঠাটিয়ে চড় মারে উত্তেজিত জনতা! খবর পেয়ে কোনওক্রমে তাঁদের উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত নাবালিকার বাবার কথায়, “আমার বাচ্চা নেই, আমার আর বেঁচে থাকার কোনও অর্থ নেই।”

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার অর্থাৎ কালীপুজোর দিন। ওই দিন আলিপুরের একটি বাড়ির আলমারিতে উদ্ধার হয় পঞ্চম শ্রেণির নাবালিকার দেহ। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে অনুমান করে পুলিশ। এরপরই প্রকাশ্যে আসে বিস্ফোরক তথ্য। জানা যায়, বাবা ও সৎমা (মাসি)-এর সঙ্গে থাকত নাবালিকা। সৎমা নাকি রীতিমতো নির্যাতন করত নাবালিকার উপর। রাত দু’টোয় বের করে দেওয়া হত বাড়ি থেকে। সব মিলিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ১১ বছরের ওই ছাত্রী। অনুমান, সেই কারণেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত। তবে খুনের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছে না কেউ।

Advertisement

এসবের মাঝেই মঙ্গলবার সকালে জনতার রোষে সঞ্জয় রায়ের দিদি ও জামাইবাবু অর্থাৎ মৃতার সৎমা ও বাবা। বাড়ি থেকে বেরতেই সৎমাকে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধর করে উত্তেজিত জনতা। নাকে-মুখে ঠাটিয়ে চড় মারে তারা। জুতো পেটা করা হয় মৃতার বাবাকে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রসঙ্গত, সঞ্জয় রায়ের এক দিদির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল নাবালিকার বাবার। কয়েকবছর আগে মৃত্যু হয় বধূর। এরপর শ্যালিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে নাবালিকার বাবার। শ্যালিকাকে বিয়েও করেন তিনি। এরপর মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে আলাদা থাকতে শুরু করেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.