Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Municipal Corporation

‘মাইনে বাড়লে আমার লাভ কী?’ পুরসভার ক্যান্টিনেও কালীর কীর্তি ফাঁস!

তারাতলা কাণ্ডে কালীকে গ্রেপ্তার করার পর পুরসভায় তাঁর নতুন কীর্তি ফাঁস হল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৭:৪৪

options
link
‘মাইনে বাড়লে আমার লাভ কী?’ পুরসভার ক্যান্টিনেও কালীর কীর্তি ফাঁস! zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতি বিজরিত কলকাতা পুরসভার ক্যান্টিনের বেনিয়মেও নাম জড়াল কালীর। প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কালীর বিরুদ্ধে এরকমই অভিযোগ তুলেছেন ক্যান্টিনের কর্মীরা। কর্মীদের মাইনে বৃদ্ধির ফাইল আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। তারাতলা কাণ্ডে কালীকে গ্রেপ্তার করার পর পুরসভায় তাঁর নতুন কীর্তি ফাঁস হল।

কলকাতা পুরসভার ক্যান্টিনে ২৭ জন কর্মী রয়েছেন। প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজে ক্যান্টিনে গিয়ে তাঁদের বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, গত ৫ বছরে অন্তত ৬ বার কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ফাইল অনুমোদনের জন্য মেয়রের কাছে পাঠানো হয়েছিল। দুই বার অনুমোদন পড়েও গিয়েছিল ফিরহাদের। অভিযোগ, তারপরেও সেই ফাইল আটকে দিতেন কালী। কর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করতেন, ‘মাইনে বাড়লে আমার কী লাভ?’ তাহলে কি পুরসভা থেকেও তোলাবাজি বা কাটমানি নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি? এই নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Advertisement

এক আধিকারিকের দাবি, বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত ফাইল কালীচরণের ঘরে ঢুকলে আর বের হত না। ফাইল অনুমোদন হয়েছে কি না জানতে চাইলে কর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হত। এমনকী অপমান করে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু এসব সত্ত্বেও তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে পারতেন তিনি। পুরসভায় নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে কালী যা খুশি তাই করতেন বলে অভিযোগ।

উল্লেখ্য, তারাতলায় গোডাউন বিপর্যয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদের প্রাক্তন ওএসডি কালীকে। দুর্ঘটনার পরে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কালীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই পুরসভায় নিয়োগ করা হয়েছিল কালীকে। আর কালী জানে না এমন কোনও বিল্ডিং কলকাতায় নেই। সব বিল্ডিংয়ের অনুমোদন হত ওর কথায়। ওঁকে ধরলেই সব সামনে চলে আসবে।” এরপরই তারাতলা কাণ্ডে কালীচরণকে গ্রেপ্তার করে সিট। জানা গিয়েছে, পুরসভায় ব্যাপক প্রভাব ছিল তাঁর। প্রভাব খাটিয়ে কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ফাইলও আটকে দিতেন তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.