Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রোগীমৃত্যুর জেরে ভাঙচুর পুর হাসপাতালে, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম তৃণমূল নেতা

চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ধুন্ধুমার কাণ্ড দমদমে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৪:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৪:৫৪

options
link
রোগীমৃত্যুর জেরে ভাঙচুর পুর হাসপাতালে, পুলিশের লাঠিচার্জে জখম তৃণমূল নেতা zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: বুকে ব্যথা নিয়ে দমদম পুর হাসপাতালে এসেছিলেন একজন বডি-বিল্ডার। ৪৫ মিনিটও সময় পাননি চিকিৎসকরা। ইসিজি করিয়ে বেডে দেওয়ার আগেই মৃত্যু হল তাঁর। তারপরই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ এনে শুরু হল ভাঙচুর। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছল যে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হল। লাঠির ঘায়ে গুরুতর জখম হলেন এক তৃণমূল নেতা। রক্তাক্ত হলেন দুই মহিলাও। হাসপাতালে ভাঙচুর ও অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল ১১ জনকে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত রোগীর নাম রবীন পাল। বছর তিরিশের এই বডি বিল্ডারের বাড়ি দুর্গানগরে। স্থানীয় একটি ফিটনেস স্টুডিওতে তিনি ট্রেনিং করাতেন। সেই সঙ্গে চলত নিজের বডি বিল্ডিংয়ের সাধনাও। চোখ জুড়ানো চেহারা।

শনিবার বিকেলে হঠাৎ রবীনের বুকে ব্যথা শুরু হয়। তাঁকে দমদম পুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরিবারের অভিযোগ, এমার্জেন্সিতে আসার পর ৪৫ মিনিট রবীনকে ফেলে রাখা হয়। কোনও চিকিৎসা হয়নি। এমনকী রোগী অক্সিজেন চাইলেও তাকে তা দেওয়া হয়নি। ইসিজি করে ভর্তি নিয়ে যখন রবীনকে বেডে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে, তখনই মৃত্যু হয় তাঁর। ফলে, ডাক্তাররা চিকিৎসা করার সুযোগই পাননি। ইসিজি ছাড়া অন্য কোনও পরীক্ষাও করা সম্ভব হয়নি। ফলে, মৃত্যুর কারণও পরিষ্কার নয়। এদিকে রবীনের মৃত্যুর খবর চাউর হতেই দুর্গানগর এলাকা থেকে প্রচুর লোকজন হাসপাতালে জড়ো হন। তাঁরা ভাঙচুর চালাতে শুরু করেন। ডাক্তার-নার্সদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিও হয়। আসবাবপত্র, টেলিফোন, গ্লোসাইন বোর্ড ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়। পুলিশ আসে। প্রথমে বোঝানোর চেষ্টা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে তারা। কিন্তু কাজ না হওয়ায় লাঠিচার্জ করে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনাস্থলে ছিলেন দুর্গানগরের তৃণমূল নেতা তথা উত্তর দমদম টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিধান বিশ্বাসের ভাই বিশ্বজিৎ বিশ্বাস। তাঁকেও পুলিশ বেদম মারে বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম হন দু’জন মহিলাও। মাথায় চোট রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, ভাইয়ের নাম জড়ানোয় অস্বস্তিতে পড়েছেন বিধান বিশ্বাস। তাঁর অবশ্য বক্তব্য, গন্ডগোলের খবর পেয়ে তিনি পরিস্থিতি শান্ত করতে ভাইকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ বুঝতে ভুল করে বিশ্বজিতের উপর লাঠি চালায়। এদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যান হরিন্দর সিং চিকিৎসা শুরুতে বিলম্বের কথা মেনে নিয়েছেন। জানিয়েছেন, “পরিকাঠামোগত কিছু ঘাটতি রয়েছে পুর হাসপাতালে। তবে রোগীর চাপও যথেষ্ট বেশি। দেরি হতেই পারে। এক্ষেত্রেও হয়তো হয়েছে। তবে, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ সত্য নেয়। ইসিজি করার পরই রোগীকে ভর্তি নিয়ে নেওয়া হয়।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.