অর্ণব আইচ: ফের শহরে একাকী বৃদ্ধের রহস্যমৃত্যু৷ এবার ঘটনাস্থল কড়েয়ার ব্রড স্ট্রিট৷ প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, নিঃসঙ্গ বৃদ্ধকে পরিচিত কেউ গলার নলি কেটে খুন করেছে৷ তবে খুনের কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ সম্পত্তির লোভে নাকি খুনের নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা৷
[ আরও পড়ুন: চোর সন্দেহে মানিকতলায় গণপিটুনিতে মৃত যুবক]
স্ত্রী মারা গিয়েছেন৷ মেয়েরও বিয়ে হয়ে গিয়েছে৷ তাই কড়েয়ার ব্রড স্ট্রিটে একাই থাকতেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী বিশ্বজিৎ বসু৷ বুধবার রাতে ৬৭ বছরের বিশ্বজিতের সঙ্গে শেষবার মেয়ের ফোনে কথা হয়৷ অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালেও বাবাকে ফোন করেন মেয়ে৷ কিন্তু ফোন ধরেননি ওই বৃদ্ধ৷ বাধ্য হয়ে তাই বাড়িতে ছুটে আসেন তরুণী৷ তিনি দেখেন বাড়িতে ঢোকার দরজা বন্ধ৷ কলিং বেল টিপে বাবার সাড়াশব্দ পাননি৷ প্রতিবেশীদের সাহায্যে ধাক্কা দিয়ে দরজা ভাঙেন তরুণী৷ ঢুকে দেখেন ঘরের দরজা খোলা৷ ভিতরে গিয়ে আঁতকে ওঠেন৷ দেখেন চেয়ারে আধ শোওয়া অবস্থায় রয়েছেন ওই বৃদ্ধ৷ গোটা শরীর রক্তে ভিজে গিয়েছে৷ এদিকে, বাড়ির ভিতরে আলমারির দরজাও খোলাই ছিল৷ লন্ডভন্ড প্রায় সবকিছুই৷
[ আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিলেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী অঞ্জু ঘোষ]
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কড়েয়া থানার পুলিশ৷ বিশ্বজিৎ বসুর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়৷ পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ উদ্ধারের সময় ওই বৃদ্ধের গলার নলি কাটা ছিল৷ শরীরের একাধিক অংশেও ছিল আঘাতের চিহ্ন৷ এই ঘটনাটি খুন বলেই প্রায় নিশ্চিত তদন্তকারীরা৷ আলমারি খোলা থাকার ফলে পুলিশের অনুমান লুটপাটে বাধা দেওয়ার জেরেই হয়তো খুন করা হয়েছে ওই বৃদ্ধকে৷ পরিচিত কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলেই অনুমান পুলিশের৷ ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে কে বা কারা ঘরে ঢুকেছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ ঘটনার কিনারায় আপাতত বৃদ্ধের মেয়ের সঙ্গেও কথা বলছে কড়েয়া থানার পুলিশ৷
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে