Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Aniket Mahato

সিনিয়র রেসিডেন্টশিপের পদ ছাড়ায় রাজ্যকে ফেরাতে হবে ৩০ লক্ষ, QR কোড শেয়ার অনিকেতের!

কেন সেই টাকার জন্য জনগণের কাছে হাত পাতা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৩:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৩:৩০

options
link
সিনিয়র রেসিডেন্টশিপের পদ ছাড়ায় রাজ্যকে ফেরাতে হবে ৩০ লক্ষ, QR কোড শেয়ার অনিকেতের! zoom
Advertisement

অভিরূপ দাস: তোমরা আমাকে টাকা দাও আমি তোমাদের ন্যায়বিচার দেব! কার্যত এই স্লোগানেই সোমবার রাতে সমাজমাধ্যমে কিউআরকোড প্রকাশ করলেন চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো (Aniket Mahato)। উল্লেখ্য, সোমবার ৫ জানুয়ারি সরকারিভাবে সিনিয়র রেসিডেন্টশিপ বা ‘এসআর’শিপ ত্যাগ করেন তিনি। সেই একই দিনে সমাজমাধ্যমে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন একটি কিউআরকোড।

সেখানে রয়েছে নিজের ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর। দেখা গিয়েছে সাউথ ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের সল্টলেক শাখার নিজের নামের একটি অ্যাকাউন্ট জনসমক্ষে এনেছেন ডা. অনিকেত মাহাতো (Aniket Mahato)। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি সিনিয়র রেসিডেন্টশিপ একটি বন্ড পোস্ট। তা ছেড়ে দিলে সরকারকে অর্থ দিতে হয়। কেন সেই টাকার জন্য জনগণের কাছে হাত পাতা?

Advertisement

ক্রাউড ফান্ডিং করে টাকা চাওয়ার যুক্তিতে অনিকেত জানিয়েছেন, “রাজ্য সরকারের বন্ডের অধীনে সিনিয়র রেসিডেন্টশিপ পোস্ট পরিত্যাগ করেছি। আমার প্রেরণার উৎস বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র। আপনারা জানেন বন্ডের শর্ত অনুযায়ী ৩০ লক্ষ টাকা সরকারকে দিতে হবে। এই আর্থিক বোঝা বহন করা আমার সামর্থ্যের বাইরে। আমি আশা করব আপনারা আর্থিক সাহায্য দেবেন।”

রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা, স্বাস্থ্য অধিকর্তার কাছে সোমবারই লিখিত চিঠি পাঠিয়েছেন অনিকেত মাহাতো। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সময়মতো আমাকে বৈধ নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর ফলে আমার মূল্যবান শিক্ষাকাল অপূরণীয়ভাবে নষ্ট হয়েছে। গুরুতর মানসিক হয়রানির শিকার হয়েছি। আমি আর সিনিয়র রেসিডেন্ট পদে যোগদান করতে ইচ্ছুক নই।’ কেন সিনিয়র রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে দিলে দিতে হবে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা? স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আদতে জনগণের করের টাকায় ডাক্তারি পড়েন সরকারি মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। সেই কারণেই জেলায় গিয়ে পরিষেবা দেওয়ার একটি বাধ্যবাধকতা থাকে। তা না মানলে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রয়েছে। জানা গিয়েছে যতদিন না এই ৩০ লক্ষ টাকা ডা. অনিকেত মাহাতো দেবেন ততদিন স্বাস্থ্যদপ্তরের ‘এনওসি’ বা ছাড়পত্র পাবেন না তিনি।

এদিকে সোমবার বিকেলে বৈঠকের ডাক দিয়েছিল রেসিডেন্ট ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন। সম্প্রতি জুনিয়র ডক্টর ফ্রন্ট থেকে পদত্যাগ করেছেন অনিকেত। তা নিয়ে শুরু হয়েছে সদস্যদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি। তার মীমাংসা করতেই বৈঠক ডাকা হয়েছিল সোমবার। যদিও অনিবার্য কারণে বাতিল হয়ে যায় সেই বৈঠক।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.