আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: শহরে ডেঙ্গুর বলি আরও এক। সোমবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার নার্সিংহোমে মারা গিয়েছেন এক যুবক। উত্তর দমদম পুরসভার এলাকার বাসিন্দা তিনি। ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গুর কথা উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা। শহরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল সাত।
[ কলকাতা থেকে চিন পাচারের ছক, বামনগাছিতে উদ্ধার দুই বিলুপ্তপ্রায় তক্ষক]
মৃতের নাম মানস দাস। উত্তর দমদম পুরসভার ১ নং ওয়ার্ডের বিশরপাড়া এলাকার বাসিন্দা তিনি। বড়বাজারে ব্যবসা করতেন মানস। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, জ্বর ভুগছিলেন তিনি। রক্তে প্লেটরেট অত্যাধিক কমে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার মানসকে দক্ষিণ কলকাতার একটি নার্সিংহোমে ভরতি করেন পরিবারের লোকেরা। তাঁদের দাবি, প্রথমে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন ওই যুবক। বাড়ছিল প্লেটলেটও। কিন্তু, সোমবার রাতে আচমকাই শারীরিক অবস্থা অবনতি হয়। শেষপর্যন্ত মারা যান মানস দাস।
মৃতের ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গুর কথা উল্লেখ করেছে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন মানস দাস। ধীরে ধীরে তাঁর শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ বিকল হতে শুরু করেছিল। সোমবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তার জেরেই মৃত্যু। এদিকে ডেঙ্গুতে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে শহর কলকাতায়। বিশরপাড়ার মানস দাসকে নিয়ে এখনও পর্যন্ত মারা গেলেন সাতজন। দিন কয়েক আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পার্ক স্ট্রিটে এক কিশোরের মৃত্যু হয়। উলটোডাঙায় মারা গিয়েছে এক গৃহবধূ। ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে একবালপুরেও। সেখানকার একটি নার্সিংহোমে মারা গিয়েছে নুরজাহান খাতুন নামে এক মহিলা। খিদিরপুরের ওয়াটগঞ্জে সপরিবারে ভাড়া থাকতেন তিনি।
[ আবারও নজির তিলোত্তমায়, নারীর বুকে বসবে পুরুষের হৃদয়]
সর্বশেষ খবর
-
মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, কাটমানির দাবি! বাগনানে তৃণমূল বিধায়কের বাড়ির সামনে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ মহিলাদের
-
এবার অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা বিজিবির! রুখল বিএসএফ
-
লাথি খেয়ে কচুবনে, বাড়ি দখলের অভিযোগে এবার ডিম খেলেন জয়প্রকাশ
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের