শুভঙ্কর বসু: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) প্রতিবাদে বিক্ষোভের নামে যে অরাজকতা চলছে তার প্রেক্ষিতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য। অশান্তি পাকানোর অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ৯৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোট ৬৪টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এই মর্মে এদিন কলকাতা হাই কোর্টে রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণনের ডিভিশন বেঞ্চে রিপোর্ট পেশ করে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানিয়েছেন, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল তা নিয়ন্ত্রণে যথাসম্ভব ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সব দিকে সতর্ক নজর রাখা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: CAA বিরোধী আন্দোলনে প্রভূত ক্ষতি, রাজ্যের বিরুদ্ধে মামলার ভাবনা রেলের]
সিএএ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে যে পরিস্থিতি, তার প্রেক্ষিতে হাই কোর্টে মোট আটটি মামলা জড়ো হয়েছে। যার একটির জরুরিভিত্তিতে শুনানির পর রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন সেই রিপোর্টে রাজ্য আরও উল্লেখ করেছে, গোটা রাজ্যে মোট ৭১৫টি রেল স্টেশন রয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৬ থেকে ৭টি রেল স্টেশনে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। পরিষেবা পুরোপুরি ব্যাহত হয়। এজি বলেন, “রেল ও রেল স্টেশনগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে রেল সুরক্ষা বাহিনী। ভাঙচুর ও বিক্ষোভের সময় রেলের তরফে রাজ্যের কাছে যে সংখ্যক বাহিনী চাওয়া হয়েছিল রাজ্য তাদের সেই সংখ্যক বাহিনী দিয়ে সাহায্য করেছে।”
ছয় জেলার উত্তেজনাপ্রবণ অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার পাশাপাশি ১৩ তারিখের পর থেকে রাজ্যের তরফে সমস্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। আপাতত পরিস্থিতি রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও এজি জানিয়েছেন, বিক্ষোভ প্রশমনে রাজ্য যে ব্যবস্থা নিয়েছে তা নিয়ে আদালতে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে চায় রাজ্য। মামলার পরবর্তী শুনানি আজ, শুক্রবার দুপুর দুটোয়।
সর্বশেষ খবর
-
দুই পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে ট্রেকিংয়ে গিয়ে নিখোঁজ! উত্তর কাশীর এমবিএ পড়ুয়ার নিরুদ্দেশ ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে