Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Arijit Chakraborty

কনটেন্ট ক্রিয়েটার হতে চাও? অরিজিতের ‘সহজ পাঠ’, ‘উপার্জন নয়, লক্ষ্য হোক নিজেকে মেলে ধরা’

জীবনে এগিয়ে চলার মন্ত্র তিনি জানিয়ে গেলেন পড়ুয়াদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৫:৪৬

options
link
কনটেন্ট ক্রিয়েটার হতে চাও? অরিজিতের ‘সহজ পাঠ’, ‘উপার্জন নয়, লক্ষ্য হোক নিজেকে মেলে ধরা’ zoom
সংবাদ প্রতিদিন আয়োজিত 'সহজ পাঠ ২০২৬'-এ অরিজিৎ চক্রবর্তী। ছবি: কৌশিক দত্ত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমশ বদলে যাচ্ছে চারপাশের পৃথিবীটা। গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের ‘পৃথিবীটা নাকি ছোট হতে হতে’ গানটি থেকে ‘নাকি’ শব্দটা বোধহয় এবার বাদও দিয়ে দেওয়া যায়। আর এই বদলে যাওয়া, ডিজিটাল হয়ে ওঠা পৃথিবীতে জন্ম নিয়েছে নতুন নতুন শব্দ। যার একটা ‘ইনফ্লুয়েন্সার’। শব্দটা অবশ্য নতুন নয়। কিন্তু তার মানেটা বদলেছে। বাংলাতেও কিন্তু এখন বেশ কয়েকজন ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ বা কনটেন্ট ক্রিয়েটার হিসেবে ভীষণ পরিচিত। তাঁদেরই একজন অরিজিৎ চক্রবর্তী। জেআইএস নিবেদিত সংবাদ প্রতিদিন ‘সহজ পাঠ ২০২৬’-এ উপস্থিত হয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে ডিজিটাল দুনিয়ায় নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিলেন তিনি। জানালেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটার হতে গেলে সবার আগে দরকার নিজেকে মেলে ধরা।

সেই সঙ্গেই সকলকে সতর্কও করলেন তিনি। কীসের সতর্কতা? অরিজিৎ জানালেন, ডিজিটাল শোঅফ কালচার থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখাটা একটা চ্যালেঞ্জ। কী এই ডিজিটাল শোঅফ? পড়ুয়াদের সেকথা সহজে বুঝিয়ে দিলেন অরিজিৎ। বললেন, ”একটা দামি ফোন বা গাড়ি দেখিয়ে কোনও ভ্লগার বলতেই পারেন, তাঁর এত রোজগার হয় যে তিনি এই সব কিনতে পেরেছেন। তা দেখে অনেকেরই মনে হতে পারে, কই আমাকে তো মা-বাবা এসব দিতে পারে না। আমি তোমাদের একটা সত্যি কথা বলে রাখি। ধরো একটা নামী গাড়ি সংস্থা… তারা কোনও ইনফ্লুয়েন্সারকে সেটা মাসখানেকের জন্য ব্যবহার করতে দিতে পারে বিনামূল্যে। শর্ত একটাই। তাঁকে এটা বলতে হবে যে, তিনি এটা কনটেন্ট বানিয়ে পেয়েছেন। অনেককে এভাবেই ফোনও দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য একটাই, সেই ব্যান্ড পেলেই জীবনের স্টেটাস খুব উন্নত হয়ে যাবে এরকম একটা বার্তা পৌঁছে দেওয়া। মনে রাখতে হবে, এটা কিন্তু সত্যি নয়। অধিকাংশ কনটেন্ট ক্রিয়েটার নিজেদের জীবন বলে যেটা দেখান, সেটা বাস্তব নয়। তাঁদের জীবনও তোমার-আমার মতোই। সকলেরই উত্থান-পতন আছে।”

Advertisement
arijit
ছবি: কৌশিক দত্ত

পড়ুয়াদের প্রশ্নের উত্তরেও ডিজিটাল জগৎ সম্পর্কে ধারণাটা আরও পরিষ্কার করে দিলেন অরিজিৎ। এক খুদের প্রশ্ন ছিল, ইউটিউব শর্টস সকলেই দেখে। সেখানে বহু তথ্য শেয়ার করা হয়। সেখানে সত্যির মধ্যে মিথ্যে মিশে নেই বুঝব কী করে। জবাবে অরিজিৎ বলেন, ”এটা বুঝতে গেলে দেখে নিতে হবে কে বলছেন কথাটা। আজ এখানে বিখ্যাত মহাকাশ বিশেষজ্ঞ দেবীপ্রসাদ দুয়ারী এসেছিলেন। ওঁর বক্তব্য ইউটিউবে আছে। শর্টস হিসেবেও। এমন কেউ বললে অবশ্যই বিশ্বাস করবে। এটাও একটা শিক্ষা। এমন মানুষরাই পারেন আমাদের সামনে বিরাট জগৎটাকে মেলে ধরতে। তোমাকে কেবল দেখে নিতে হবে কে বলছেন। কাকে আমরা বিশ্বাস করব।”

Arijit1
ছবি: কৌশিক দত্ত

কনটেন্ট তৈরি করতে গেলে দামি মোবাইল দিয়েই শুরু করতে হবে এমন কোনও মানে নেই বলেও পড়ুয়াদের সতর্ক করলেন অরিজিৎ। জানালেন, চাইলে নিজের সিলেবাসের পড়া নিয়েও ভিডিও করা যায়। তাঁর কথায়, ”শুরুতেই হয়তো এক লক্ষ বা দশহাজার লোক দেখবে না। হয়তো পাঁচশো লোক দেখল। সেটাও কম নয়। এই প্রেক্ষাগৃহে এখন পাঁচশো মানুষ আছেন। তার মানে একটা প্রেক্ষাগৃহ ভর্তি মানুষ কিন্তু সেই কনটেন্ট দেখেছেন।” অর্থাৎ নিজেকে মেলে ধরে ধৈর্য ধরতে হবে। কেবলই ভিউ, কেবলই অর্থ উপার্জনের কথা না ভেবে ভালোবেসে ধৈর্য ও পরিশ্রম করে নিজের কাজটুকু করে যাওয়া। এভাবে কেবল কনটেন্ট ক্রিয়েটার হিসেবেই নয়, জীবনে এগিয়ে চলার মন্ত্রও তিনি জানিয়ে গেলেন রথীন্দ্র মঞ্চে উপস্থিত থাকা পড়ুয়াদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.