Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

নিপায় আক্রান্ত বলেই সন্দেহ, আলিপুরের হাসপাতালে মৃত্যু জওয়ানের

কেরলের বাসিন্দা ছিলেন ওই জওয়ান, ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৮, ১৫:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৮, ১৫:৫৫

options
link
নিপায় আক্রান্ত বলেই সন্দেহ, আলিপুরের হাসপাতালে মৃত্যু জওয়ানের zoom

অর্ণব আইচ: ফের শহরে মাথাচাড়া দিল নিপা আতঙ্ক। এবার এক জওয়ানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সন্দেহ গাঢ় হল। ফোর্ট উইলিয়ামে কর্মরত ছিলেন শিনু প্রসাদ নামে ওই জওয়ান। তাঁর বাড়ি ছিল কেরলে। সে কারণেই এ সন্দেহ বাড়ছে।

 ব্যাংক ধর্মঘটে চূড়ান্ত নাকাল সাধারণ মানুষ, ধাক্কা অনলাইন পেমেন্টেও ]

Advertisement

জানা যাচ্ছে, কেরলের বাসিন্দা শিনু প্রসাদ এক মাসের ছুটিতে দেশের বাড়ি অর্থাৎ কেরলে গিয়েছিলেন। ফিরে আসার পরই তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। তাঁকে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে ভরতি করা হয় ২০ মে। ২৫ মে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর উপসর্গের সঙ্গে নিপা আক্রান্তের লক্ষণ প্রায় মিলে যাচ্ছে। ফলে অনুমান করা হচ্ছে, নিপায় আক্রান্ত হয়েও ওই জওয়ানের প্রাণ গিয়েছে। সন্দেহ উড়িয়ে দিচ্ছে না ফোর্ট উইলিয়াম কর্তৃপক্ষও। তাঁর বডি ফ্লুইড পাঠানো হয়েছে পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে। নিপা ভাইরাস শনাক্তকরণে দেশে একমাত্র এই প্রতিষ্ঠানই সঠিক সার্টিফিকেট দিতে পারে। সেখানেই নমুনা পাঠিয়ে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। নিপায় আক্রান্ত হয়েই ওই জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে কি না, এখনও তা নিশ্চিত করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে সন্দেহ যত বাড়ছে ততই ছড়াচ্ছে আতঙ্ক।

[  চুরি করা মোবাইলে সেলফি! পুলিশের জালে মাসতুতো ভাই দুই চোর ]

এদিকে নিপায় আক্রান্ত সন্দেহে আজ বেলেঘাটা আইডিতে ভরতি হন আরও এক ব্যক্তি। জানা যাচ্ছে, ঘাটালের বাসিন্দা উত্তম ভৌমিকও কেরলেই কাজ করতেন। সেখান থেকে ফেরার পরই তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। বেলেঘাটার হাসপাতালে এই মুহূর্তে মোট চারজন ব্যক্তি নিপায় আক্রান্ত সন্দেহে ভরতি। তবে নিপারই আক্রমণ কি না, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা। তবে সবরকম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। আইসোলেশন ওয়ার্ড গড়ে চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যরাও মাস্ক পরে রয়েছেন। হাসপাতালে আসা অন্যান্য রোগীর পরিবারের সদস্যরাও সতর্কতা হিসেবে মাস্ক ব্যবহার করছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.