Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ATM fraud

যাদবপুরে ATM জালিয়াতি, লক্ষাধিক টাকা খোয়ালেন দুই গ্রাহক!

সার্ভে পার্ক থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতারিত ব্যক্তিরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫, ১৪:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৫, ১৪:০৪

options
link
যাদবপুরে ATM জালিয়াতি, লক্ষাধিক টাকা খোয়ালেন দুই গ্রাহক! zoom
প্রতীকী ছবি

অর্ণব আইচ: খাস কলকাতায় এটিএম জালিয়াতি! প্রতারণার শিকার দুই গ্রাহক। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামের কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের একটি এটিএম থেকে টাকা তুলতে গিয়ে বিপত্তি! দুজনের অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও লক্ষাধিক টাকা। সার্ভে পার্ক থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতারিত ব্যক্তিরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে যাদবপুর এলাকার কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামের কাছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের এটিএমে টাকা তুলতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়েন দুই গ্রাহক। তাঁরা টাকা তুলতে এটিএম কার্ড ব‍্যবহার করেন। পিন দেওয়ার পরেও টাকা বেরচ্ছে না দেখে এটিএমের ভিতরে দেওয়া টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করেন। ফোন তোলেন এক ব্যক্তি। তিনি দুই গ্রাহককে একাধিক নির্দেশ দেন। ফোন কল থেকে পাওয়া নির্দেশ অনুযায়ী, মোবাইলের নানান অপশনে ক্লিক করেন তাঁরা। এই ঘটনার ঘণ্টাখানেক পর দুই গ্রাহকের মোবাইলে একের পর এক টাকা তোলার মেসেজ আসতে থাকে। তাঁরা দেখেন অ‍্যাকাউন্ট থেকে উধাও টাকা।

Advertisement

প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে সার্ভে পার্ক থানায় অভিযোগ জানান তাঁরা। পুলিশের কাছে প্রতারিত এক ব্যক্তি অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁর ২৫ হাজার টাকা গায়েব। অন্যজনের দাবি, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে লাখখানেক টাকা বেশ কয়েক দফায় সরানো হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, প্রতারকরা এটিএমে আগে থেকে স্কিমার বক্স লাগিয়ে রেখেছিল। যার ফলে কার্ড আটকে যায়। কার্ডের তথ্য চলে যায় প্রতারকদের সার্ভারে। বোতামের জায়গায় লাগানো ছোট ক্যামেরার সাহায্যে পিন নম্বরও জানতে পেরে যায় তারা।

অন্যদিকে, এটিএমের গায়ে লাগানো টোল ফ্রি ফোন নম্বরও প্রতারকদের। সেখানে ফোন করলে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করা হয়। পরে কার্ড বেরিয়ে এলেও, একটি ক্লোন কার্ড ততক্ষণে তৈরি। সেই তথ্য নিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয় জালিয়াতরা। পরে সময় বুঝে খুলে নিয়ে যায় স্কিমার বক্স। তারা নিরাপত্তারক্ষীহীন এটিএমগুলিকেই টার্গেট করে বলেই অনুমান। 

সাত-আট বছর আগে রাজ্য তথা দেশজুড়ে এই স্কিমার বক্সের সাহায্যে লাখ, লাখ টাকার প্রতারণা করা হয়। সেই ঘটনায় কলকাতা পুলিশ বিদেশি একটি গ্যাংকে ধরে। প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ছিল স্থানীয়রাও। সেই স্কিমার বক্স জালিয়াতি নতুন করে শুরু হয়েছে কি না, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.