Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬

শহিদ দিবসের নামে শহরে ‘শহিদ’ হতে আসছেন সাধারণ মানুষ, টুইট করে বিতর্কে বাবুল

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে দর্শকের ভূমিকায় কেন পুলিশ, সওয়াল করেছেন বাবুল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৭, ০৬:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৭, ০৬:৪৫

options
link
শহিদ দিবসের নামে শহরে ‘শহিদ’ হতে আসছেন সাধারণ মানুষ, টুইট করে বিতর্কে বাবুল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃষ্টি উপেক্ষা করে কাতারে কাতারে মানুষের ঢল। সব পথ মিশেছে ধর্মতলায়। কিন্তু নিরাপত্তার বালাই নেই। শহিদ দিবসের নামে হাজার হাজার মানুষকে শহিদ হওয়ার পথে ঠেলে দিচ্ছে তৃণমূল সরকার। এমনই অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। ২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশের জন্য হাজার হাজার মানুষ বাস-লরির মাথায় চেপে ধর্মতলায় আসছেন। টুইটারে সেই ভিডিও পোস্ট করতেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি এই দৃশ্য দেখার পরও রাস্তায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় তাদেরও একহাত নিয়েছেন বাবুল।

শুক্রবার হাজারে হাজারে মানুষ বাংলার দূর-দূরান্ত থেকে ধর্মতলায় সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছেছেন। অধিকাংশই বাস-লরির মাথায় বসে এসেছেন। অনেকেই রাজ্য সরকারের পথনিরাপত্তার স্লোগান ‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’-এর তোয়াক্কা না করে বিনা হেলমেটে বাইকে চেপে সভাস্থলে এসেছেন। এইসব নিয়েই টুইটারে প্রতিবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, পুলিশ-প্রশাসন কী করছে? হাজারে হাজারে মানুষ শহিদ দিবসের নামে এইভাবে শহরে আসছেন, এতো শহিদ হওয়ার উপক্রম। এমনই অভিযোগ তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে তুলোধোনা করেছেন বাবুল। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে দর্শকের ভূমিকায় কেন পুলিশ, সওয়াল করেছেন বাবুল। অন্যদিকে, হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো গোটা রাজ্যে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এমনকী বিনা হেলমেটে বাইক আরোহীদের পেট্রল পাম্পে জ্বালানি দেওয়াও বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই নির্দেশ পরোয়া করছে কে? সেই ছবিই ধরা পড়ল এদিন শহরের রাজপথে।

20226755_1359185917535744_974130736_o

সারবত্তা হল, নির্দেশই সার। সেই কারণেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন আসানসোলের সাংসদ। কিন্তু তাতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এমন দৃশ্য যে শহরের রাস্তায় একেবারে দুর্লভ এমনটা কিন্তু নয়। তাহলে আচমকা এদিনই কেন এমন ভিডিও টুইট করলেন বাবুল, প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল।

বিতর্ক বরাবরই বাবুলের সহচর। তা এর আগেও তাঁর কিছু কাজকর্মে প্রমাণ মিলেছে। কিছুদিন আগেই বসিরহাটে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা টুইট করে সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন বাবুল। কিন্তু সেদিন টুইট করে সমস্ত সংবাদমাধ্যমকে কটাক্ষ করে রাজ্যে অশান্তির খবরে মনোযোগ দেওয়ার জন্য সওয়াল করেছিলেন। তাতে বিতর্কের জল বহুদূর গড়ায়। এবারও সেই পথে হাঁটলেন বাবুল, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.