Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এতদিন পর আমাকে চিনতে পারছেন না কেন, রত্নাকে পালটা বৈশাখির

বৈশাখি কোনও দিনই পারিবারিক বন্ধু ছিলেন না, দাবি মেয়র পত্নীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ১৬:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৯, ১৬:০৮

options
link
এতদিন পর আমাকে চিনতে পারছেন না কেন, রত্নাকে পালটা বৈশাখির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক এবং মেয়রপত্নী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়। মিল্লি আল আমিন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বৈশাখির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মঙ্গলবারই সাংবাদিক বৈঠক করে সাফাই দিয়েছেন মেয়র। পারিবারিক বন্ধু এবং দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য বৈশাখির কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন বলে জানান শোভন। কিন্তু তাঁকে নিয়ে সম্পর্কের গুজব অহেতুক ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মেয়র। তারপরই মেয়র-জায়া রত্নার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। বৈশাখি কেমন পারিবারিক বন্ধু, প্রশ্ন তোলেন রত্না। জানিয়ে দেন, বৈশাখি কোনওদিনই তাঁদের পারিবারিক বন্ধু ছিলেন না। তাতেই বুধবার নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করেন তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বৈশাখি। বলেন, ‘২০১১ সাল থেকে আমি শোভনদাকে চিনি। তাঁর স্ত্রী আচমকা এখন আমাকে চিনতে অস্বীকার করছেন কেন? দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত। পারিবারিক অনুষ্ঠানে শামিল হয়েছি আমি এবং আমার পরিবার। হোয়াটসঅ্যাপে এত কথা হয়েছে। একসঙ্গে ফ্লাইটে করে গিয়েছি। রত্নাদেবী এখন আমাকে চিনতে অস্বীকার করলে সেটা আমার সমস্যা নয়।’

[ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মেয়রকে কটাক্ষ, তুলকালাম পুর অধিবেশন]

মঙ্গলবার শোভন বলেছিলেন, বৈবাহিক জীবনে রত্না এবং তিনি যেভাবে বৈশাখির সহযোগিতা পেয়েছিলেন তা তিনি ভুলবেন না। কিন্তু রত্না সেকথা ভুলে গেলে এটা তাঁর দুর্ভাগ্য। সেই প্রসঙ্গে রত্নার পালটা, ‘বৈশাখি কোনও দিনই আমাদের পারিবারিক বন্ধু ছিলেন না। ভবিষ্যতে কোনওদিন ওর নাম শুনতে চাই না।’ বেহালার পৈতৃক বাড়ি ছেড়ে শোভন বেশ কয়েক মাস ধরে গড়িয়াহাটের কাছে একটি ফ্ল্যাটে থাকেন। দুষ্কৃতী দিয়ে সেখান থেকে তাঁকে উৎখাত করতে পারেন স্ত্রী, এই আশঙ্কায় পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে সোমবার রবীন্দ্র সরোবর থানায় আবেদন করেন শোভন। রত্না পরে জানান, ওই ফ্ল্যাটটি তাঁর ভাইয়ের। তাঁর অনুমতি নিয়েই শোভন ওখানে থাকেন। ফলে, তুলে দেওয়ার প্রশ্ন নেই। সোমবারই রত্না বলেন, ‘আমাদের ২২ বছরের সম্পর্ক। আমি শোভনের উপর হামলা করতে পারি, এমন কথা কেউ বিশ্বাস করবেন না। আমি এ ধরণের মানুষ নই।’ জানা যায়, শোভনের সঙ্গে সম্পর্কের খবর রটতেই ওয়েবকুপার কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। সভাপতি কৃষ্ণকলি বসু জানান, শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই ভাঙা হয় কমিটি। তখন কমিটি থেকে বাদ পড়েন সাধারণ সম্পাদক বৈশাখি। এদিন তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘সেই কমিটি থেকে আরও অনেকে বাদ পড়েন। সেটা সম্পূর্ণ অন্য বিষয়। খামোখা আমাকে নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে কেন? শোভনদার সঙ্গে এতদিনের সম্পর্ক। তাঁর পাশে আরও অনেকে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আমাকে নিয়েই বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[মৃত্যু হলেও স্ত্রীর কাছে ফিরবেন না, তবে বৈশাখির পাশেই মেয়র]

ব্যক্তিগত জীবনের জটিলতা নিয়ে মঙ্গলবার মুখ খোলেন মেয়র। জানান, ১৯৯৫ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর প্রশ্ন, কেউ কি শখ করে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করে? তিনি যখন নিজে থেকে তা করেছেন, তখন বোঝাই যাচ্ছে, পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়েছিল যেখান থেকে আর সম্পর্ক রাখা সম্ভব নয়। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই বৈশাখি বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওয়েবকুপার শীর্ষপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জল্পনা ছড়ায়। এদিন মেয়র খুব খোলাখুলি জানিয়ে দেন, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের বিপর্যয়ের সময় পাশে থেকেছেন বৈশাখি। তিনি বলেন, আমি কী সমস্যায় ছিলাম সে তো শুধুই আমি জানি। অন্য অনেকেই বুঝতে পারবেন না, কারণ এটা উপলব্ধির বিষয়। সেরকম সমস্যা আর কারও জীবনে নেমে আসুক তাও চান না তিনি। এই পরিস্থিতিতে বৈশাখি তাঁর পাশে ছিলেন। এজন্য তিনি কৃতজ্ঞ। এবং যিনি বিপর্যয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁর পাশেও দাঁড়াতে চান মেয়র। জানান, “বৈশাখি পারিবারিক বন্ধু। তাঁর পাশেই থাকব। আর আমার জন্য বৈশাখির উপর কোনও আঘাত নেমে আসুক তা আমি চাই না।” সংগঠন থাকবে কি থাকবে না তা দলীয় সিদ্ধান্ত। কিন্তু মেয়রের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য বৈশাখিকে যদি কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয় তবে তিনি মর্মাহত হন বলেই জানান মেয়র। সেই সঙ্গে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, বিবাহিত জীবন আর জোড়া লাগার কোনও সম্ভাবনা নেই। বলেন, অনেকেরই বিবাহিত জীবন সুখের হয় না। আমারটাও সেরকম হবে। এমনকী মৃত্যুতেও স্ত্রীর পাশে, পৈতৃক বাড়িতে আর ফিরতে চান না বলেই জানিয়েছেন অভিমানী মেয়র।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.