অর্ণব আইচ: জাল পে স্লিপ ও ভুয়ো অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট দিয়ে ব্যক্তিগত ঋণ নিয়েছিলেন ছয় জন। তাঁরা সেচ, স্বাস্থ্য,বনদপ্তরের কর্মচারী হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন। মোট ৬২ লক্ষ টাকার ঋণ নেয় অভিযুক্তরা। ব্যাঙ্ক পরে জানতে পারে, জমা দেওয়া তথ্য ভুয়ো! এই মর্মে এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের তরফ থেকে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। তদন্তে নেমে একজন ডিরেক্ট সেলিং এজেন্টকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ।
একটি দল গঠন করে তদন্তে নামে কলকাতা পুলিশ। তদন্তকারী অফিসার জানতে পারেন ব্যাঙ্কের অনুমোদন প্রাপ্ত ডিরেক্ট সেলিং এজেন্টের মাধ্যমে বাঁকুড়া-বর্ধমান অঞ্চল থেকে এই প্রতারণা করা হচ্ছে। তদন্তে মূল ও পারিপার্শ্বিক তথ্য জোগাড় করেন তদন্তকারীরা।
সেই তথ্যগুলির উপর ভিত্তি করে মঙ্গলবার রাতে বাঁকুড়া-দুর্গাপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। তাতেই বাঁকুড়া সোনামুখী এলাকা থেকে আকাশ ধীবর নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারী অফিসাররা। এই আকাশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভুয়ো নথিপত্র তৈরি করতেন। এবং লোন হয়ে যাওয়ার পর মোটা অঙ্কের টাকা ঋণগ্রহীতার থেকে নিতেন। তাঁর ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট থেকে ২১ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আকাশকে গ্রেপ্তার করার পর অভিযুক্ত ঋণগ্রহীতাদের খোঁজে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু পুলিশ যাওয়ার আগে তাঁরা পালিয়ে যান। পুলিশ অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, খুব তাড়াতাড়ি ফের অভিযান চালানো হবে।
সর্বশেষ খবর
-
জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন খোশগল্প, করমর্দনে মেতে রাহুল! ‘অবমাননা’র ভিডিও শেয়ার করল বিজেপি
-
প্রধান বিচারপতির বিরোধিতা, মিলবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি! নির্দেশ দিয়েও পিছু হঠল বার কাউন্সিল
-
সকালে নির্মল, রাতে গ্রেপ্তার সঞ্জীব, ‘৫ বছর আগে এমন মুখ্যমন্ত্রী থাকলে…’, শুভেন্দুকে কুর্নিশ অভয়ার মায়ের
-
উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে জলস্রোতে ভেসে, ধস নেমে মৃত ৭, এখনও ভিতরে আটকে ৩ শ্রমিক
-
ফ্ল্যাট কেনার শখ, বাবার থেকে ২ লক্ষ টাকা নেন এনআরএসের মৃত নার্স! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সুবিচার চাইছে পরিবার