Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Bengal BJP

পদ্ম কমিটিতে নেই কৌস্তভ-সজল-শঙ্কুরা, বিজেপিতে বহাল নব্য-আদি দ্বন্দ্ব?

তিনজনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে দলে পরিচিত!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৩:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ১৩:২৮

options
link
পদ্ম কমিটিতে নেই কৌস্তভ-সজল-শঙ্কুরা, বিজেপিতে বহাল নব্য-আদি দ্বন্দ্ব? zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: টিভির পর্দায় ‘কথায় কথায়’ কথা বলেন তাঁরা! সামান্যতম ঘটনাতেও রাজ্য সরকারকে একহাত নেন। দলের হয়ে ব্যাট করতে নেমে শাসকদলের নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে কুৎসা করতেও পিছপা হন না। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে তাঁরাই ‘ছাঁট’! একটাও মুখ ঠাঁই পেল না সেখানে।

বুধবার রাজ্য বিজেপির (Bengal BJP) যে কমিটি ঘোষিত হয়েছে সেখানে জায়গা মেলেনি উত্তর কলকাতার কাউন্সিলর নেতা সজল ঘোষ, শঙ্কুদেব পণ্ডা, কৌস্তভ বাগচীর। যা নিয়ে বিজেপিতেই চর্চা তুঙ্গে। আশাহত ওই নেতারাও। গেরুয়া শিবির সূত্রেই খবর, প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও সজল, শঙ্কু ও কৌস্তভকে রাজ্য কমিটিতে পদাধিকারীতে না এনে তাঁদের দূরেই রাখলেন শমীক ভট্টাচার্য।

Advertisement

তিনজনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘনিষ্ঠ বলে দলে পরিচিত। দলের পুরনোদের দাবি মেনেই এই নব্য-তৎকাল বিজেপি শিবিরের বলে পরিচিত এই তিন নেতাকে রাজ্য কমিটিতে ঠাঁই দেওয়া হয়নি বলে খবর। পাশাপাশি দলের আরেক আইনজীবী নেতা তরুণজ্যোতি তেওয়ারির নাম কমিটিতে ঢুকছে বলে চর্চা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে তাঁর নাম কাটা গিয়েছে।

দলের রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি পদে তরুণজ্যোতি তেওয়ারিকে নিয়ে আসার জন্য প্রবল চেষ্টা চালিয়েছিল বিজেপির আগের ক্ষমতাসীন শিবির। কিন্তু ডা. ইন্দ্রনীল খাঁ শেষ মুহূর্তে ছক্কা হাঁকিয়ে শমীকের আস্থা অর্জন করে নেন। কমিটিতে নেওয়ার জন্য দলের একাংশের চাপ থাকা সত্ত্বেও কেন সজল, শঙ্কুদেব ও কৌস্তভদের দূরে সরিয়ে রাখলেন শমীক?

এক, দলের পুরনো নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশের আপত্তি ছিল। দুই, এই তিন নেতার মধ্যে দু’জন দলে অতিসক্রিয় ছিলেন। কোনও বড় নেতার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে দলের মধ্যে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করতেন। তিন, রাজ্যে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে হলে বিজেপি পার্টি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা দরকার, বিজেপিকে বুঝতে হবে। এটারও অভাব কারও কারও মধ্যে আছে বলে মত দলের একাংশের। চার, যাঁদের আসা নিয়ে চর্চা চলছিল, আরএসএসের তরফেও তাঁদের নামে সিলমোহর আসেনি।

ফলে আগের কমিটির কয়েকজনকে পদ অদলবদল করে রেখে দেওয়া, আর নয়া কমিটিতে পুরনো একাধিক মুখকে স্থান দিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা হয়েছে। নতুন কমিটিতে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের অনেকেই জায়গা পাননি, এই প্রশ্নের জবাবে দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর বক্তব্য, “আমারও তো অনেক ঘনিষ্ঠরাও কমিটিতে নেই।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.