Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
BGBS

মমতা মানে কী? ‘দিদি’ ডাকের অর্থই বা কী? বাণিজ্য মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর নাম ব্যাখ্যা মুকেশের

অষ্টম বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন রিলায়েন্স কর্তা মুকেশ অম্বানি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫, ১৬:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫, ১৬:১২

options
link
মমতা মানে কী? ‘দিদি’ ডাকের অর্থই বা কী? বাণিজ্য মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর নাম ব্যাখ্যা মুকেশের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অষ্টম বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করলেন রিলায়েন্স কর্তা মুকেশ আম্বানি। ‘মমতা দিদি’ ডাকের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বললেন, “মমতা সরকারের আমলে অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নবজাগরণ দেখছে বাংলা।” এরাজ্যে রিলায়েন্সের বিনিয়োগের খতিয়ানও তুলে ধরলেন তিনি। এদিকে বাংলার পাশে থাকার জন্য আম্বানি পরিবারকে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে যোগ দিতে বুধবার সকালে কলকাতায় পৌঁছন রিলায়েন্স কর্তা মুকেশ আম্বানি। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন তিনি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী সকলের কাছেই মমতা দিদি। কিন্তু কেন এই নাম? এদিন বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তারই ব্যাখ্যা দিলেন মুকেশ আম্বানি। তাঁর কথায়, “মমতা মানেই সহানুভূতি, আর দিদির অর্থ এক অবিশ্রান্ত নেত্রী। যিনি সকলের জন্য বিরামহীনভাবে লড়াই চালিয়ে যান।” 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

এদিন মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে প্রথমবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে শামিল হয়েছিলেন তিনি। ধাপে ধাপে বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে ২০ গুণ। বর্তমানে বাংলায় রিয়ালেন্সের বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হয়েছে ১ লক্ষ মানুষের। মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন, বাংলা থেকেই পথচলা শুরু করেছিল জিও। যা এখন দেশের মধ্যে একনম্বরে। বাংলায় এখনও পর্যন্ত জিও স্টোর রয়েছে ১৩০০টি। আগামী বছর আরও ৪০০ স্টোর হবে বলেই জানালেন রিলায়েন্স কর্তা। এর পাশাপাশি এআই রেডি ডেটা সেন্টার হবে। দিঘায় হবে কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন। মুকেশের কথায়, “সোনার বাংলার জন্য সোলার বাংলা তৈরিই লক্ষ্য রিলায়েন্সের।” সব মিলিয়ে ডিজিটাল উন্নয়নে বাংলাই পূর্ব ভারতকে নেতৃত্ব দেবে বলেই মন্তব্য করলেন মুকেশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.