সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব হলেও তা বাস্তবায়িত হচ্ছে কই? বারবার এমনই প্রশ্ন করেন বিরোধীরা। তবে অষ্টম বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কতটা লাভজনক এই বাণিজ্য সম্মেলন, তার ব্যাখ্যা দিলেন তিনি।
বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনেকেই বলেন বাণিজ্য সম্মেলন করে কী লাভ? অথচ আমাদের দেখে অন্য রাজ্য সম্মেলন করছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই বাণিজ্য সম্মেলন। বাংলায় এখন ধর্মঘটের সংস্কৃতি নেই।” বাংলার মানুষের জন্য রাজ্য সরকারের একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন মমতা। বলেন, “আমাদের সরকারে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। বাংলায় বিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগের জন্য আদর্শ বাংলা। ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্পে বাংলা এক নম্বরে। নারী ক্ষমতায়নে এক নম্বরে বাংলা। মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। হাতে নগদ টাকা পাচ্ছেন। কন্য়াশ্রী পুরস্কার পেয়েছে বাংলা। সংসদে ৩৯ শতাংশ প্রতিনিধি মহিলা। দুয়ারে সরকার পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে। যেকোনও পরিবারের মহিলা সদস্যের নামে কার্ড।”
উল্লেখ্য, শিল্পের অনুকূল পরিবেশ, আদর্শ পরিকাঠামো। দেশে হোক বা বিদেশে – মুখ্যমন্ত্রী বারবার শিল্পমহলের কাছে বাংলার শিল্পবান্ধব পরিবেশের কথা তুলে ধরেছেন। তবে শুধু কথায় নয়, এ রাজ্য যে শিল্প স্থাপনে কতটা আগ্রহী, তা বোঝাতে প্রতি বছর বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবছরও ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে অষ্টম বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে কার্যত চাঁদের হাট। অংশ নিয়েছেন ৪০ দেশের দুশোর বেশি প্রতিনিধি। রয়েছেন মুকেশ আম্বানি, সজ্জন জিন্দালরাও।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে