BREAKING NEWS

২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ঝগড়া করে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে কলকাতায়, বধূকে ঘরে ফেরাল কলকাতা পুলিশ

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: August 23, 2019 2:29 pm|    Updated: August 23, 2019 2:29 pm

An Images

অর্ণব আইচ: ফের দেখা গেল কলকাতা পুলিশের মানবিক মুখের ছবি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া করে বেরিয়ে আসা এক গৃহবধূকে বাড়ি ফেরাল তারা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে ভবানীপুর থানায়। ওই গৃহবধূর নাম অনুরাধা সামন্ত। আর তার বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের উত্তর কানাইদিঘি এলাকায়।

[আরও পড়ুন: কচুয়াধামে নিহত এবং আহতদের পরিবারের পাশে রাজ্য, আর্থিক সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার টহলদারি চালাচ্ছিলেন ভবানীপুর থানার পুলিশকর্মীরা। সেসময় তাঁদের চোখে পড়ে হাজরা মোড়ে এক যুবতী উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘোরাফেরা করছেন। সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশকর্মীরা। কিন্তু, পুরোপুরি নির্বাক ছিলেন তিনি। থানায় নিয়ে এসে তাঁকে জল ও খাবার খেতে দেন পুলিশকর্মীরা। তারপর বহুক্ষণ ধরে তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। জানতে চান তাঁর বাড়ি ও পরিবারের কথা।

প্রথমে কিছু বলতে না চাইলেও বহু চেষ্টার পরে মুখ খোলেন তিনি। জানান, তাঁর নাম অনুরাধা সামন্ত। পূর্ব মেদিনীপুরের উত্তর কানাইদিঘি এলাকায় তাঁর শ্বশুরবাড়ি। কিছু বিষয়কে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয় তাঁর। এর জেরে মাথা গরম করে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। তারপর বাস ধরে পৌঁছে ছিলেন সোজা হাওড়ায়। আর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে হাজির হয়েছিলেন হাজরায়। উদ্দেশ্য ছিল কালীঘাট মন্দির গিয়ে মা কালীর দর্শন করবেন। কিন্তু, রাস্তাঘাট না চেনায় হাজরা মোড়ের কাছে উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। সেসময়ই পুলিশের সঙ্গে দেখা হয়।

[আরও পড়ুন: খানদানের সম্মান রক্ষায় আত্মসমর্পণ আরসালানের, জাগুয়ার কাণ্ডে দাবি পরিবারের]

জিজ্ঞাসাবাদের সময় বাবা রথীকান্ত গায়েনের ফোন নম্বর ভবানীপুর থানার পুলিশকর্মীদের দেন অনুরাধা। তারপরই সেই নম্বরে ফোন করে অনুরাধার কথা জানানো হয় তাঁর বাপের বাড়ির লোকেদের। কিছুক্ষণ বাদে থানায় এসে পৌঁছান তাঁর বাবা রথীকান্ত গায়েন ও স্বামী ভূপেন সামন্ত। আর তাঁদের সবকিছু জানিয়ে অনুরাধাকে তুলে দেওয়া হয় স্বামী ভূপেনের হাতে। কলকাতা পুলিশের বদান্যতায় মেয়েকে ফিরে পেয়ে খুশি অনুরাধার বাবা রথীকান্তবাবু ও স্বামী ভূপেন সামন্ত। এর জন্য ভবানীপুর থানার পুলিশকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তাঁরা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement