Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
GST fraud

ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে পাঁচ কোটি টাকার জিএসটি প্রতারণা! রিয়েল এস্টেস্ট সংস্থার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী

ধৃতকে জেরা করে বাকি অভিযুক্তদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ২১:০৭

options
link
ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে পাঁচ কোটি টাকার জিএসটি প্রতারণা! রিয়েল এস্টেস্ট সংস্থার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: ভুয়ো সংস্থা সামনে রেখে পাঁচ কোটি টাকার জিএসটি প্রতারণা। এক ব‌্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করলেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত এই ব‌্যবসায়ীর নাম অভয় মিশ্র।

একটি রিয়েল এস্টেট সংস্থার সঙ্গে ওই ব‌্যবসায়ীর যোগাযোগ হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে ব‌্যবসায়ীকে লোহার রডের বরাত দেওয়া হয়। সেইমতো কয়েক দফায় মোট ৩৩ কোটি টাকার লোহার রড সরবরাহ করা হয় ওই রিয়েল এস্টেট সংস্থাটিকে। প্রায় সাড়ে চার হাজার টন লোহা কেনার কিছুদিনের মধ্যেই রিয়েল এস্টেট সংস্থাটি ৩৩ কোটি টাকা মিটিয়ে দেয়। ওই টাকার মধ্যেই ধরা ছিল জিএসটি (GST)।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ২০১৪-র ভোটে তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে ‘গরমিল’! অরূপ বিশ্বাসকে তলব ইডির]

কয়েক মাস আগে রিয়েল এস্টেট সংস্থাটির কাছে জিএসটি বিভাগ থেকে একটি নোটিস আসে। তাতে বলা হয়, লোহার রড কেনাবেচা বাবদ ৫ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৯২৬ টাকা জিএসটি জমা পড়েনি। রিয়েল এস্টেট সংস্থাটি পাল্টা উত্তর দেয়, যে দু’টি সংস্থার কাছ থেকে লোহা কেনা হয়েছে, সেই দু’টি সংস্থাকে পুরো টাকা দেওয়া হয়েছে। ওই সংস্থাটিই জিএসটির টাকা দেবে। জিএসটি সংস্থার পক্ষ থেকে ওই লোহা সরবরাহকারী দু’টি সংস্থার ব‌্যাপারে তদন্ত করা হয়। তারই মাধ‌্যমে রিয়েল এস্টেট সংস্থাটি জানতে পারে যে, ওই দু’টি সংস্থা ভুয়া। সেগুলির কোনও অস্তিত্ব নেই। সংস্থা দু’টির পক্ষে যত ভাউচার দেওয়া হয়েছে, সেগুলি জাল বলেই অভিযোগ।

[আরও পড়ুন: মাঝপথে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, দিল্লির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে এবার সন্দেশখালি যেতে অনুমতি হাই কোর্টের]

এর পরই ওই রিয়েল এস্টেট সংস্থার পক্ষে ওই সংস্থার মালিকের বিরুদ্ধে মধ‌্য কলকাতার বউবাজার থানায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের প্রতারণা দমন শাখা এর তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্ত সংস্থার কর্ণধার অভয় মিশ্রকে জেরা করে বাকি অভিযুক্তদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.