Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
অনুব্রত মণ্ডল

কর্কট যুদ্ধে হার, দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত অনুব্রত-ঘরনি

ফুসফুস থেকে গোটা দেহেই ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২০, ১৫:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২০, ১৫:২১

options
link
কর্কট যুদ্ধে হার, দীর্ঘ রোগভোগের পর প্রয়াত অনুব্রত-ঘরনি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ রোগভোগের পর জীবনযুদ্ধে হার মানলেন অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী ছবি। ফুসফুস থেকে গোটা দেহেই ক্যানসার ছড়িয়ে পড়েছিল তাঁর। রাজারহাটের ক্যানসার হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীনই মারা যান অনুব্রত-ঘরনি। মৃত্যুসংবাদ পাওয়ামাত্রই কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন বীরভূম জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। টাটা ক্যানসার হাসপাতালে ভিড় জমান রাজ্যস্তরের নেতারাও। মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে বোলপুরের বাড়িতে। সেখানেই হবে শেষকৃত্য।

বেশ কয়েকবছর আগে বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী ছবির শরীরে বাসা বাঁধে ফুসফুসের ক্যানসার। হাজার চিকিৎসাতেও রোগকে বাগে আনা যাচ্ছিল না। পরিবর্তে ক্রমশই শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ছিল ক্যানসার। লোকসভা নির্বাচনের সময়েও তাঁর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তাঁকে রাজারহাটের টাটা ক্যানসার হাসপাতালে ভরতি করা হয়। দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে চলে যমে-মানুষে টানাটানি। শুক্রবার ভোরে জীবনযুদ্ধে হার মানলেন ছবিদেবী। হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন:  চুলের তেলের বিজ্ঞাপনে ‘জনপ্রতিনিধি’ পরিচয় ব্যবহার, বিতর্কে মিমি]

মা, স্ত্রী এবং মেয়েকে নিয়েই সংসার ছিল অনুব্রত মণ্ডলের। লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই বীরভূমের দাপুটে নেতার মা মারা যান। এরপর স্ত্রী, মেয়েই ছিল জেলা তৃণমূল সভাপতির জগৎ। রাজনৈতিক হাজার কাজে সবসময় ব্যস্ত থাকেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে তা সত্ত্বেও অসুস্থ স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিদিন হাসপাতালে দেখা করতে আসতেন তিনি। সাংগঠনিক কাজ সামলানোর পর রাতে তিনি বীরভূম থেকে টাটা ক্যানসার হাসপাতালে যেতেন অনুব্রত মণ্ডল। জীবনসঙ্গিনীর অসুস্থতা যে তাঁকে যথেষ্ট যন্ত্রণা দিচ্ছে ঘনিষ্ঠ মহলে বারবার সেকথা বলতেন তিনি। দলীয় সভাতেও সেকথা বলতে শোনা গিয়েছে। এদিকে, মা হাসপাতালে ভরতি থাকাকালীন একা হাতেই সংসারের সমস্ত দায়িত্ব সামলেছেন অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা। মায়েরও দেখভাল করতেন তিনি। বাবার মতো তিনিও প্রায় প্রতিদিনই মায়ের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালেও আসতেন।

Chabi Mandal

শুক্রবার সকালে মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সুকন্যা। অনুব্রত মণ্ডলের অবস্থাও প্রায় একইরকম। ছবি মণ্ডলের মৃত্যুর খবর পেয়েই কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন বীরভূম জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজ্যস্তরের নেতারাও ভিড় জমান টাটা ক্যানসার হাসপাতালে। মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে বোলপুরের বাড়িতে। সেখানেই হবে শেষকৃত্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.