Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
সৌমিত্র খাঁ

সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, নির্বাচন কমিশন দপ্তরের বাইরে অবস্থানে সৌমিত্র খাঁ

'বাহিনী রয়েছে কিন্তু ব্যবহার করা হচ্ছে না' অভিযোগ সৌমিত্রর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৯, ১৩:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৯, ১৩:০৩

options
link
সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি, নির্বাচন কমিশন দপ্তরের বাইরে অবস্থানে সৌমিত্র খাঁ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাই। এই দাবিতে নির্বাচন কমিশনের সামনে ধরনায় বসলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। তাঁর অভিযোগ, ভোট লুঠের চেষ্টা করছে শাসকদল। তাই প্রত্যেক বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। সকলে যাতে ভোট দিতে পারেন তার ব্যবস্থা করতে হবে। যতক্ষন না পর্যন্ত তাঁর দাবি মানা হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ধরনা চলবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: পুরুলিয়ায় মোদির সভা শুরুর আগে তুমুল বিশৃঙ্খলা, ভিড় সামলাতে নাজেহাল পুলিশ]

আগামী ১২ মে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। এদিনই বিষ্ণপুর লোকসভা আসনে নির্বাচন। সূত্রের খবর, এদিনের ভোটে বিষ্ণুপুরে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছে কমিশন। বিষয়টি মানতে নারাজ বিষ্ণপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। তাঁর দাবি, সব বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। নিজের দাবি জানিয়ে বুধবার রাত থেকে কলকাতা নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের বাইরে অবস্থানে বসেছেন সৌমিত্র খাঁ। তাঁর অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডল-সহ শাসকদলের একাধিক নেতা কর্মীরা বিষ্ণুপুরে ভোট লুঠের ছক কষেছে। তাই প্রতি বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, অনুব্রত-সহ বেশ কয়েকজনের যোগসাজশেই পর্যাপ্ত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও সব বুথে বাহিনী দিচ্ছে না কমিশন। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: দৃষ্টিহীনদের জন্য ব্রেল ব্যালট, দমদম-বারাসতে হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা কমিশনের]

প্রসঙ্গত, টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়ার অভিযোগে সৌমিত্রর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয় বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানায়৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করে বাঁকুড়ার বড়জোড়া থানা৷ গ্রেপ্তারি এড়াতে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন সৌমিত্র খাঁ৷ আদালত তাঁর গ্রেপ্তারির উপর স্থগিতাদেশ জারি করে। নির্দেশে বলা হয়, ছ’সপ্তাহের জন্য বাঁকুড়া জেলায় ঢুকতে পারবেন না সৌমিত্র। তাই প্রার্থী পদ পেয়েও বিষ্ণুপুরে প্রচার করতে পারেননি সৌমিত্র। কেবলমাত্র মনোনয়ন পেশ করতে ১ দিন জন্য বিষ্ণুপুর যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন তিনি। তবে প্রথম থেকেই গোটা বিষয়টি শাসকদলের চক্রান্ত বলে দাবি করেছিলেন তিন। তাঁর কথায় বিষ্ণুপুরে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই সৌমিত্র খাঁ-কে এক ঘরে করার ফন্দি করে শাসকদল। অভিযোগ, সেই কারণেই পর্যাপ্ত বাহিনী দেওয়ার ক্ষেত্রেও কমিশনের আঁতাত করেছে তৃণমূল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.