রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: ফের দলের বিরুদ্ধেই সরব বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা (Anupam Hazra)। অভিযোগ, পদে থাকাকালীন অধিকাংশ জেলা বা মণ্ডল সভাপতিরা দলের পদস্থ কর্তাদের পাত্তা দেন না। কিন্তু পদ হারানোর পরই স্বভাব বদলে ফেলেন। তখন দলের কার্যকর্তাদের কাছে টানার চেষ্টা করেন। অনুপম হাজরার মন্তব্যে বিজেপির অন্দরে ফাটল স্পষ্ট বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
একুশের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপি অন্দরে কোন্দল স্পষ্ট। বিজেপির একাংশের অভিযোগ, নিচুতলার নেতাদের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকছে না দলের শীর্ষ নেতাদের। ফলে মণ্ডল সভাপতি, জেলা সভাপতিরা অনেক ক্ষেত্রেই বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে পাত্তা দেয় না। আবার উপরের স্তরের গোষ্ঠী কোন্দলের প্রভাব পড়ছে নিচুতলায়। এদিন এ নিয়ে মুখ খুললেন অনুপম হাজরা।
[আরও পড়ুন: ইলিশ ১৬০০, খাসি ৮৫০, জামাইষষ্ঠীর সকালে পকেট ফাঁকা শ্বশুরের]
ফেসবুক পোস্টে সর্বভারতীয় সম্পাদক লেখেন, “আমাদের দলের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে-কিছু ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত বাদ দিলে, বেশিরভাগ জেলা বা মণ্ডল সভাপতিরা, পদে থাকাকালীন প্রচুর হম্বিতম্বি ‘কার্যকর্তাদের সহজে পাত্তা দেব না’-এরকম একটা হাবভাব রেখে চললেও, ‘প্রাক্তন’ হওয়া মাত্রই একটা অমায়িক মিষ্টি মানুষে পরিণত হন, যেন যে কোনও কার্যকর্তাকে সামনে পেলেই ভালবেসে জড়িয়ে ধরবেন।” সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বললাম। জানি না অবশ্য আপনার অভিজ্ঞতা আবার কী?” স্বাভাবিকভাবেই অনুপম হাজরার মন্তব্য ঘিরে জল্পনা ছড়িয়েছে।
[আরও পড়ুন: গাড়ি কেনার নামে পৌনে ২ কোটির ব্যাংক ঋণ নিয়ে চম্পট, লালবাজারের গোয়েন্দাদের জালে ৭]
সর্বশেষ খবর
-
২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খেলবে দুই প্রধান, ডুরান্ডে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ কারা?
-
কনুইতে অ্যানাস্থেশিয়ার ইঞ্জেকশন! মাত্রাতিরিক্ত ওষুধেই মৃত্যু এনআরএসের নার্সের?
-
জঙ্গি হামলার আশঙ্কা? শুধু কালীঘাট মন্দিরের জন্য আলাদা ফাঁড়ি, বেনজির পদক্ষেপ কলকাতা পুলিশের
-
‘উন্নতি করো, নয়তো বাদ পড়তে হবে’, উইকেটরক্ষককে সোজা বলে দিলেন গিল-গম্ভীররা
-
‘যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি…’, নেতাজি প্রসঙ্গে কুমন্তব্য নিয়ে ‘সুরবদল’ অনন্ত মহারাজের