Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Suvendu Adhikari

শুভেন্দু-সুকান্ত দূরত্বে উদ্বেগ, দিল্লিতে বৈঠকে বসবে নেতৃত্ব

বঙ্গ বিজেপি ও পরিষদীয় দলের মধ্যে প্রবল সমন্বয়ের অভাবে বাড়ছে উদ্বেগ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১০:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১০:০০

options
link
শুভেন্দু-সুকান্ত দূরত্বে উদ্বেগ, দিল্লিতে বৈঠকে বসবে নেতৃত্ব zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গ বিজেপির দুই প্রধান মুখ শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের মধ্যে দ্বন্দ্ব ক্রমশ তীব্র আকার নিচ্ছে। বিরোধী দলনেতা ও রাজ্য সভাপতির মধ্যে অনেকটাই দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এটা নিয়ে বঙ্গ বিজেপির সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যেও চরম বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। রাজ্যের দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে এই বিভাজন তৈরি হওয়ায় সাধারণ কর্মীরা যে অস্বস্তি বোধ করছে, সেটা উল্লেখ করে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে ই-মেল করেছেন রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার প্রাক্তন রাজ্য সহ-সভাপতি সামসুর রহমান।

কী কারণে হঠাৎ করে দুই শীর্ষ নেতার মধ্যে দূরত্ব সামনে আসছে তা নিয়ে চর্চা চলছে পদ্মশিবিরে। রাজ্যে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদেরও বিষয়টি নজরে এনেছে দলের একটি অংশ। এইমুহূর্তে দলের সাংগঠনিক নির্বাচন চলছে। ফেব্রুয়ারিতেই নয়া রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণা করতে পারে দিল্লি। ঠিক তার আগে শুভেন্দু ও সুকান্তর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়া নিয়ে নানা রাজনৈতিক জল্পনা সামনে আসছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত সোমবার সল্টলেকের এক হোটেলে বিশেষ সাংগঠনিক কর্মশালার আয়োজন করেছিল বিজেপি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুকে নিয়ে সুকান্ত বলেছিলেন, ‘কমফোর্ট ফিল’ করেন না বলে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে শুভেন্দু আসেন না। যদিও এনিয়ে শুভেন্দু পাল্টা বলেছিলেন, সুকান্ত কেন এই মন্তব্য করেছেন তা তিনি নিজেই বলতে পারবেন। এরপর বৃহস্পতিবার তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বিজেপিতে রাজনৈতিক যোগ্যতার নিরিখে শুভেন্দুকে বেশি পয়েন্ট দেন।

আর সুকান্তকে রাজনীতির ‘নবজাতক’ বলেন। আর তার জবাবে বলতে গিয়েও সুকান্ত শুভেন্দুর প্রসঙ্গ টেনে আনেন। বালুরঘাটে তৃণমূলের অর্পিতা ঘোষ ও বিপ্লব মিত্রকে হারিয়েছেন তিনি, একথা বলতে গিয়ে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে শুভেন্দুবাবুর মতো ট্রেনিং নেওয়া বিপ্লব মিত্রকেও হারিয়েছেন। আর এখানেই শুভেন্দু শিবিরের প্রশ্ন, শুধু বিপ্লব মিত্রর নামই বলতে পারতেন সুকান্ত মজুমদার। কেন শুভেন্দু অধিকারীর নাম টানলেন।

উল্লেখ্য, সাংগঠনিক পদে তিনি নেই বলে গত লোকসভায় হারের দায় নিতে চাননি শুভেন্দু। আবার গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠকে শুভেন্দুর না থাকা নিয়ে ক্ষুব্ধ সুকান্তও। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ মুখ সুকান্ত ও শুভেন্দুকে নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

বাংলায় দলের সংগঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যে দলের এই দুই প্রধান মুখকে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন। ফেব্রুয়ারিতে বাজেট অধিবেশনের জন্য দিল্লিতে থাকবেন সুকান্ত মজুমদার। সেই সময়ই হতে পারে বৈঠক। ডেকে নেওয়া হতে পারে শুভেন্দুকে। রাজ্য বিজেপির সংগঠনের সঙ্গে শুভেন্দু ও তার পরিষদীয় দল কেন দূরত্ব রাখছে, পৃথক কর্মসূচি নিচ্ছে সেটা নিয়ে কথা বলবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কারণ সামনের বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.