Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
বিশ্বভারতী

বিশ্বভারতী কাণ্ডে জোড়াসাঁকোয় মিছিল যুব মোর্চার, মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি বিজেপি সাংসদের

চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন বিজেপি সাংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২০, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২০, ১৮:০৩

options
link
বিশ্বভারতী কাণ্ডে জোড়াসাঁকোয় মিছিল যুব মোর্চার, মুখ্যমন্ত্রীকে খোলা চিঠি বিজেপি সাংসদের zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিশ্বভারতী (Visva-Bharati University) ইস্যুতে সাংসদ (MLA) সৌমিত্র খাঁর (Saumitra Khan) নেতৃত্বে পথে নামল বিজেপির যুব মোর্চা। বুধবার দুপুরে রাজ্য বিজেপির দপ্তর থেকে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি পর্যন্ত মিছিল করেন বিজেপি সাংসদ ও কর্মীরা। মিছিল থেকে আটক করা হয়েছে বিজেপির কয়েকজন কার্যকর্তাকে। অন্যদিকে, বিশ্ব ভারতী প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার।

Advertisement

বিশ্বভারতী নিয়ে সোমবার থেকে উত্তাল গোটা রাজ্য। ওইদিন পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনে পৌষমেলার মাঠে পাঁচিল তোলা হচ্ছিল। বিশ্বভারতীর উপাচার্য নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করানোর প্রতিবাদে সোমবার কার্যত তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় সেখানে। স্থানীয় এবং পড়ুয়াদের একাংশ পে লোডার (Pay Loader) নিয়ে গিয়ে নির্মাণকাজ ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। মুক্ত শিক্ষাঙ্গনে পাঁচিল কেন, এই প্রশ্ন তুলে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন পড়ুয়ারা। রাস্তাও অবরোধ করা হয়। সেই নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। পৌষ মেলার মাঠের পাঁচিল ভাঙা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার তাঁরা ১২ ঘণ্টা রিলে অনশন করবেন বলেও জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে অশান্তি অব্যাহত, পাঁচিল ভাঙার বিরোধিতা করায় পদ্মশ্রী প্রাপকের মূর্তিতে কালি]

বিশ্বভারতীর এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে বিজেপি। শাসকদল ইচ্ছাকৃতভাবে মেলার মাঠে পাঁচিল নিয়ে অশান্তি করছে বলে দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেন সাংসদ সুভাষ সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধে সেখানে লেখেন, “এই প্রজন্মের রাজনৈতিক নেতা, হুলিগান ও প্রশাসকদের আচরণ জানলে বিশ্বকবি বোধ হয় জীবন রাখত না। সৌন্দর্য রক্ষার নামে ঐ হুলিয়ানদের পাশে দাঁড়ালেন তাতে পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে আমার আর মুখ দেখাবার উপায় নেই।”

[আরও পড়ুন: গঙ্গার ভাঙনে ঘরছাড়া মুর্শিদাবাদের বহু পরিবার, পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সাংসদ খগেন মুর্মু]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.