সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লালবাজার অভিযান করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতারা । তার প্রতিবাদে শুক্রবার হাওড়া ব্রিজ অবরোধ করলেন বিজেপি সমর্থকরা। অফিসফেরতা সময়ে এর কারণে তীব্র যানজটের আশঙ্কা।
[ হাসপাতালে নিয়ে যেতে যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নেন না এই ট্যাক্সিচালক ]
বৃহস্পতিবার লালবাজার অভিযান কর্মসূচিতে গ্রেপ্তার হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ-সহ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতারা। গ্রেপ্তার করা হয় কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও বিজেপির জাতীয় সচিব রাহুল সিনহাকেও। শহরের বিভিন্ন জায়গা থকে মিছিল করে লালবাজার যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। ব্যারিকেড করে তা আটকানোর চেষ্টা করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যদিও তার মধ্যেই পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে এলোপাথাড়ি ইটবৃষ্টি। বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে প্রায় খণ্ডযুদ্ধ বাধে পুলিশ ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গ্রেপ্তার করা হয় দলের শীর্ষ নেতাদের। আজ ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তাঁদের পেশ করা হয়। জামিন পান দিলীপ, লকেট, রূপারা। কিন্তু কেন নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার ব্যাখ্যা চেয়ে ও প্রতিবাদে আজ হাওড়া ব্রিজ অবরোধ করেন বিজেপি সমর্থকরা। এছাড়া জেলায় জেলায় বিজেপির বিক্ষোভ মিছিলও বেরিয়েছে আজ। আজ বউবাজার থানার সামনেও বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।
[ মৌলবাদীদের চাপে সরল ন্যায়ের প্রতীক গ্রিক ভাস্কর্য, প্রতিবাদে উত্তাল বাংলাদেশ ]
এর আগে পুলিশের ভূমিকার নিন্দা করেছিলেন বিজেপির সব নেতারাই। রূপা গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিকভাবে কেউ লালবাজারে ডেপুডেশন জমা দিতে যেতেই পারে। তার জন্য এত পুলিশ কেন? পরে অবশ্য পুলিশকেই নানা হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। তারপরই আজকের অবরোধে এবার হেনস্তার শিকার হলেন সাধারণ মানুষ।
সর্বশেষ খবর
-
৫ জুনেই ৫৮ লক্ষ উদ্ধার, তারপরও কেন এফআইআর হয়নি? রাম মন্দিরের টাকা চুরিতে প্রশ্নের মুখে ট্রাস্ট
-
বীরের ঠোঁট কামড়ে রক্তারক্তি করেছেন কঙ্গনা! ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন যুগলে
-
‘দেরি হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না’, রামমন্দিরে চুরির তদন্ত নিয়ে বলল সুপ্রিম কোর্ট
-
‘এটাই শেষ বক্তব্য’, হুমায়ুনের ‘স্যাটাভাঙা মার’ মন্তব্যে বিধানসভায় ‘সবক’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর
-
ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার পাশে নেইমার, বিশ্বকাপ চলাকালীন দিলেন ২ কোটি টাকা