Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
দিলীপ ঘোষ

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে অমানবিক রাজ্য, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

রাজ্য সরকার ত্রাণ নিয়েও রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ বিজেপির রাজ্য সভাপতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ১৭:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ১৭:৫৬

options
link
পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে অমানবিক রাজ্য, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্র থেকে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্যে আসছে একাধিক ট্রেন। তা নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। না জানিয়ে কেন্দ্র ট্রেন পাঠাচ্ছে বলেই অভিযোগ তাঁর। ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের মাধ্যমে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে পালটা জবাব দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্য অমানবিক আচরণ করছে বলেই অভিযোগ তাঁর।

মহারাষ্ট্র থেকে পরপর ট্রেন পাঠানো নিয়ে বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনেক পরিযায়ী শ্রমিকই করোনা সংক্রমিত। তাই রাজ্য চেয়েছিল বিশেষ পরিকল্পনা করে পরিযায়ী শ্রমিকদের আনতে। কিন্তু রেল রাজ্যের কথা শুনল না। এত লোকের একসঙ্গে পরীক্ষা করব কীভাবে?” পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবিও করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিযায়ী শ্রমিকদের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ রুখতে জেলায় জেলায় বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, চেন্নাই থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের সরকারি কোয়ারেন্টাইনে রাখারও নির্দেশ দেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনার পর আমফানের দাপটের জের, আরও পিছিয়ে গেল রাজ্যের স্কুল খোলার দিন]

এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভপ্রকাশের পালটা জবাব দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল ২৬ মে পর্যন্ত আমফান নিয়ে ব্যস্ত। ওইদিন পর্যন্ত ট্রেন পাঠানোর প্রয়োজন নেই। সেই অনুযায়ী পাঠানো হয়নি। ২৭ মে ট্রেন পাঠানো হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই দাবি করেছিলেন তিনি ১০৫টি ট্রেন পাঠানোরা কথা কেন্দ্রকে বলেছেন। মহারাষ্ট্র সরকার যখন আসার অনুমতি দিয়েছে তখন পরিযায়ী শ্রমিকদের নিচ্ছে না কেন? দুর্ঘটনায় শ্রমিক মারা যাচ্ছে তার দায় কে নেবে?”

পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশাপাশি রাজ্য সরকার ত্রাণ নিয়েও রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ বিজেপির রাজ্য সভাপতির। বিজেপি নেতাকর্মীদের দুর্গতদের কাছে পৌঁছতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁর। 

[আরও পড়ুন: আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের নদীবাঁধ, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতির নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.