Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

বিদেশ নীতি নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ মমতার, সংসদে আক্রমণের ইঙ্গিত

প্রতিবাদ জানাতে মীরা কুমারকে সমর্থন তৃণমূলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৭, ০৯:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৭, ০৯:৫৬

options
link
বিদেশ নীতি নিয়ে কেন্দ্রকে তোপ মমতার, সংসদে আক্রমণের ইঙ্গিত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিনে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নোট বাতিল থেকে জিএসটি বা বিদেশ নীতি। কেন্দ্র চাপিয়ে দিতে চাইলেও তা মানা হবে না বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিবাদ জানাতে তৃণমূল মীরা কুমারকে সমর্থন করেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। কেন্দ্রকে বার্তা দিতে সংসদের বাদল অধিবেশনে তৃণমূল ঝড় তুলবে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইঙ্গিত দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন কেন্দ্রের ভ্রান্ত বিদেশনীতির জন্য রাজ্যের অবস্থা খারাপ হচ্ছে।

[রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত বিধানসভা, তরজায় দিলীপ-পরেশ]

নোট বাতিল থেকে জিএসটি। গত কয়েক বছরে কেন্দ্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হয়েছেন। সম্প্রতি উত্তপ্ত হয়েছে দার্জিলিংয়ের পরিস্থিতি। এই নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, এক মাস ধরে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হলেও, তা পাঠানো হচ্ছে না। ইচ্ছাকৃতভাবে পাহাড় দুর্বল করে দিয়ে বাইরের শক্তিকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সংখ্যার জোরে কাউকে পাত্তা দিতে চায় না কেন্দ্র। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মীরা কুমারের পাশে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছন এই নির্বাচন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ভোট। তার জন্য রাজ্যের শাসক দল সর্বস্তরে এই প্রতিবাদ পৌঁছে দিতে চায়। যে কারণে বিরোধী শক্তিগুলিকে এক মঞ্চে আসার ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ভৌগলিকভাবে রাজ্যের অবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। চারিদিকে একাধিক দেশে। বিভিন্ন এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যকে ক্রমাগত বিব্রত করা হচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ। পাশাপাশি সিকিমে ক্রমাগত চিনের আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কূটনৈতিক ব্যর্থতার জন্য চিন, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। এর ফলে সবথেকে সমস্যায় পড়ছে বাংলা।

Advertisement

[জঙ্গি দমনে বড়সড় সাফল্য পেল বাংলাদেশ]

মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেন, মিরিক লাগোয়া নেপালের পশুপতি গেট এলাকায় ৪০০ স্কুল তৈরি হয়েছে। যেখানে চিনা ভাষা শেখানো হয়। সীমান্তবর্তী ওই এলাকায় কীভাবে এমন কার্যকলাপ চলছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গোয়েন্দা ব্যর্থতার দিকে আঙুল তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন বাংলায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা হলে বরদাস্ত করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের শাখা সংগঠন দুর্গা বাহিনী মহিলাদের বন্দুক প্রশিক্ষণ দিয়ে গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে জামাত মদতপুষ্টদের এ রাজ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সবটাই কেন্দ্রের মদতে বলে তিনি তোপ দেগেছেন। এই নিয়ে সংসদে কেন্দ্রকে তৃণমূল চেপে ধরতে চায়। বাদল অধিবেশনে দার্জিলিং, কাশ্মীর, অমরনাথ, আধার, গো-রক্ষা, জিএসটি নিয়ে সরকারকে বিঁধতে তৈরি শাসক দল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.