BREAKING NEWS

৯ আষাঢ়  ১৪২৮  বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

পাঠকদের সামনে নাৎসি জার্মানির জন্ম-মৃত্যু তুলে ধরলেন ঘরবন্দি বুদ্ধ

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 5, 2018 3:08 pm|    Updated: October 5, 2018 3:08 pm

Buddhadeb Bhattacharjee pens book on Nazi Germany

ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘ দু’বছরের বেশি সময় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা ও অধ্যয়ন করে আবার বই লিখলেন সিপিএম-এর পলিটবুরোর প্রাক্তন সদস্য তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বইয়ের নাম ‘নাৎসি জার্মানির জন্ম ও মৃত্যু’। ১১৬ পাতার বইটি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা এনবিএ। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বই প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বইটিতে লেখক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তিনের দশক থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জার্মানির নাৎসি বাহিনীর পরাক্রম, বার্লিন প্রচীর ধ্বংস ও নাৎসি বাহিনীর পরাজয়ের সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট ও তার কারণ-সহ বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

[কী এই এস-৪০০? রাশিয়ার সঙ্গে অস্ত্রচুক্তিতে কেন মরিয়া দিল্লি?]

এখন প্রশ্ন হল, সম্প্রতি রাজ্যে বা দেশে যে রাজনৈতিক ঘটনাগুলি ঘটে চলেছে, তা থেকে সরে গিয়ে বুদ্ধবাবু কেন নাৎসি বাহিনীর পরাজয়কেই তাঁর লেখার উপজীব্য হিসাবে তুলে ধরলেন? তার জবাবে, দলেরই কেন্দ্রীয় কমিটির এক সদস্য বলেছেন, “প্রায় দু’বছরের বেশি সময় ধরে বুদ্ধবাবু নাৎসি বাহিনীর পরাজয় নিয়ে দীর্ঘ অধ্যয়ন করেছেন। পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন। তাঁর বরাবরই আগ্রহ ছিল এই বিষয়ের উপর। তাই অসুস্থতা সত্ত্বেও কার্যত ঘরবন্দি অবস্থায় লেখার কাজ সম্পূর্ণ করলেন তিনি।”

আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, দশ-বারো দিন আগে লেখা ও প্রুফ দেখার কাজ সম্পূর্ণ করেছেন। অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গেই ছাপার কাজও শেষ হয়েছে। এর আগে বুদ্ধবাবু মার্কেজের কবিতা সংকলন প্রকাশ করেছিলেন। বস্তুত এই লেখায় তিনি এতটাই জড়িয়ে ছিলেন যে, গত বছর দলের মুখপত্রের শারদ সংখ্যাতেও তিনি লেখেননি। এবারও সম্ভবত তাঁর কোনও লেখা থাকছে না। বুদ্ধবাবুর এই বইটি মানুষের মনে কেমন সাড়া ফেলে তা দেখার অপেক্ষাতেই রয়েছে বাম রাজনৈতিক মহল।

[গান্ধীজয়ন্তীতে জিন্নার ছবি প্রদর্শনীতে, ফের বিতর্কে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement