নব্যেন্দু হাজরা: সপ্তাহখানেক আগেও ছিল কার্যত ‘অচল।’ বাসের কন্ডাক্টর, দোকানদার, এমনকী ভিক্ষুকরাও ফিরিয়ে দিতেন। কিন্তু, সেই এক টাকার কয়েনই মহামূল্যবান। ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দ্বিধায় এক টাকার কয়েন নিয়ে নিচ্ছেন সকলেই। সৌজন্যে বাসের ভাড়া বৃদ্ধি।
[দুর্যোগে সারচার্জ নিতে পারবে না ‘অ্যাপ ক্যাব’, আসছে নয়া আইন]
গত চার বছর ধরে বাসের ন্যূনতম ভাড়া ছিল ছ’টাকা। পরের ধাপ আট টাকা। তাই ১০ টাকার কয়েন দিলে, দু’টাকা কয়েনেই কাজ চলে যেত। কখনও কখনও আবার তিনটে দু’টাকার কয়েনে ভাড়া মেটাতেন যাত্রীরাও। কদর ছিল না এক টাকার কয়েনের। বাসের কন্ডাক্টরা যেমন এক টাকার কয়েন নিতে চাইতেন না, তেমনি যাত্রীরাও ফিরিয়ে দিতেন। কিন্তু, গত এক সপ্তাহের ছবিটা আমূল বদলে গিয়েছে। রাতারাতি কদর বেড়েছে এক টাকার কয়েনের। কারণ সাত টাকা ভাড়া দিতে গেলে এক টাকা কয়েনের প্রয়োজন হচ্ছে। আবার তিন টাকা ফেরতের ক্ষেত্রেও এক টাকার কয়েন না দিয়ে উপায় থাকছে না কন্ডাক্টরদের। বাসমালিকদের বক্তব্য, নয়া ভাড়ার চার্টে বিজোড় সংখ্যাই গুরুত্ব পেয়েছে। তাই এক টাকার কয়েন যেমন যাত্রীদেরও দরকার, তেমনই কন্ডাক্টরদেরও। তাঁদের দাবি, নিত্যদিন যাঁরা বাসে যাতায়াত করেন, তাঁদের অর্ধেকই স্বল্প দূরত্বের যাত্রী। অর্থাৎ ৭ টাকা ভাড়া দেন তাঁরা। বাকি ২৫ শতাংশ যান ৯ টাকা ভাড়ায়। অতএব ৯০ শতাংশ যাত্রীর ভাড়া নিতে ও ব্যালেন্স ফেরাতে এক এক টাকার কয়েনই ভরসা।
জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাজারে এক টাকা কেউ নিতে চাইতেন না। যাত্রীরাও ফেরত নিতেন না। নতুন ভাড়ায় এই এক টাকাই এখন ভরসা সবার। ভালই হয়েছে। বাজারে খুচরো বাড়ল।” বাস মিনিবাস সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এক টাকা কার্যত অচল হয়ে পড়েছিল। বাসে কন্ডাক্টররা যাত্রীদের তা ফেরত দিলে যাত্রীরা নিচ্ছিলেন না। এবার সেই সমস্যার সমাধান হবে।’
[সাউথ এন্ডে বিষাদের সুর, ভেঙে পড়ছে শচীন কর্তার জলসাঘর]
সর্বশেষ খবর
-
‘যা কেচ্ছা শোনা যায়, সব সত্যি’, পৃথ্বী শ’র বিরুদ্ধে প্রতারণার বিস্ফোরক অভিযোগ বাগদত্তার!
-
‘আলফা’ ম্যাজিক ফিকে হতেই আলিয়ার পাশে সময়, সিনেমাহল বুকিং করে স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন
-
কোচ আন্সেলোত্তি একাই ফ্যাক্টর নন, মনোবিদের মন্ত্র বদলে দিয়েছে ভিনির খেলা
-
প্রবল বৃষ্টিতে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল গাছ, চাপা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বৃদ্ধের, মুম্বইয়ের ভিডিও ভাইরাল
-
৫০০ সংস্থায় আবেদন, তবুও মেলেনি চাকরি! পেটের দায়ে কী করছেন ইঞ্জিনিয়ার?