Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
চন্দ্রকুমার বসু

‘কেন মুসলিমদের বাদ দেওয়া হচ্ছে’, মহামিছিলের দিনই প্রশ্ন বিজেপি নেতা চন্দ্রকুমার বসুর

এর আগে এই প্রশ্ন তুলে বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়েছিল শরিক শিরোমণি অকালি দল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯, ১২:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯, ১২:৫১

options
link
‘কেন মুসলিমদের বাদ দেওয়া হচ্ছে’, মহামিছিলের দিনই প্রশ্ন বিজেপি নেতা চন্দ্রকুমার বসুর zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিক আইনের সমর্থনে সোমবারই মহামিছিল হয়েছে কলকাতার রাস্তায়। CAA ও NRC’র অন্যতম বিরোধী মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুকে এতবড় মিছিল করতে পেরে খুশি হয়েছেন বিজেপি নেতারাও। মানুষের যোগদানের বহর দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দলের কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা। ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতা হারানোর দিনে কলকাতার রাস্তায় হওয়া মহামিছিল কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছিল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। কিন্তু, এর রেশ কাটতে না কাটতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল! এবার এই আইন নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বঙ্গ বিজেপির সহ-সভাপতি ও নেতাজির প্রপৌত্র চন্দকুমার বসু। কেন মুসলিমদের অর্ন্তভুক্ত করা হল না তা জানতে চাইলেন তিনি।

সোমবার গভীর রাতে তিনি প্রথমে টুইট করেন, ‘ভারত হল এমন একটি দেশ, যে সমস্ত ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য সর্বদা নিজের দরজা খোলা রেখেছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, ২০১৯-এর সঙ্গে কোনও ধর্মের বিষয় জড়িত নেই বলে জানানো হচ্ছে। তাহলে আমরা কেন শুধুমাত্র হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও জৈনদের আশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করছি। এতে কি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকেও অন্তর্ভুক্ত করা যায় না? আসুন এই বিষয়টি পরিষ্কার করে নিজেদের কাছে স্বচ্ছ থাকি।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার DNA পচে গিয়েছে’, ফের ঘেরাও হয়ে বিস্ফোরক রাজ্যপাল]

 

পরের টুইটটিতে তিনি লেখেন, ‘প্রাচীনকাল থেকেই সমস্ত ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। তাই একে বিভাজন করবেন না। আর এই দেশের সঙ্গে অন্য কোনও দেশের তুলনা করাও চলবে না।’

[আরও পড়ুন: ‘১৯৭১-এর আগের প্রমাণ-সহ ঘোষ পাত্রী চাই’, বিয়ের বিজ্ঞাপনে হইচই]

 

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রপৌত্রের আগে এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল পাঞ্জাবে বিজেপির শরিক শিরোমণি অকালি দলের তরফে। ভারতের গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকেও অন্তর্ভুক্ত করার স্বপক্ষে সওয়াল করেছিল। বিজেপি বিষয়টি ভেবে দেখার পরামর্শও দেয় তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.