স্টাফ রিপোর্টার: নিয়মের তোয়াক্কা না করে রাজ্যজুড়ে পোষ্য কুকুরদের প্রজনন ও বেচাকেনা চলছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন কলকাতা হাই কোর্ট। এই সংক্রান্ত মামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি, রাজ্যকে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের ডিভিশন বেঞ্চ। নির্দিষ্ট আইন মেনে দুটি বিষয়কেই অবিলম্বে বাস্তবায়িত করতে হবে বলেও জানিয়েছে আদালত।
বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কেপ ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তাঁদের অভিযোগ, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যথেচ্ছভাবে রাজ্যে পোষ্য কুকুরদের প্রজনন ও সব ধরনের পোষ্যদের বেচাকেনা চলছে। সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। ১৯১৭ সালের আইন অনুযায়ী পোষ্য কুকুরদের যারা পেশাগতভাবে প্রজনন বা বেচাকেনার সঙ্গে যুক্ত তাদের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরে নথিভুক্ত করার দাবি জানানো হয় আবেদনকারী সংস্থার তরফে। একইসঙ্গে ১৯১৯ সালের আইন অনুযায়ী সব ধরনের পোষ্যদের বিক্রয়কারী দোকান বা ব্যক্তিদের নাম প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরে নথিভুক্ত করার কথাও বলা হয়। চলতি বছরের ২২ নভেম্বরের মধ্যে রাজ্যের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরকে আবেদনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আদালত আরও জানিয়েছে, এ ব্যাপারে ডিসেম্বরের মধ্যে জনসচেতনতা ক্যাম্প করতে হবে। আগামী বছর ১৬ জানুয়ারি আদালতে এই বিষয়ে রিপোর্ট পেশ করতে হবে। প্রসঙ্গত, যারা বাণিজ্যিকভাবে পোষ্য কুকুরের প্রজনন ও সব ধরনের পোষ্যদের বেচাকেনার সঙ্গে যুক্ত তাদের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে।
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক