গোবিন্দ রায়: এ যেন সরষের মধ্যে ভূত! পোস্ট অফিসে জমানো টাকা উধাও। অথচ পুলিশ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থামূলক কোনও পদক্ষেপই করছে না। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের ডাকঘর সংক্রান্ত মামলায় পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের। এই মামলায় এডিজি সিআইডিকে তদন্তভার দিল হাই কোর্ট।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এই মামলা প্রসঙ্গে বলেন, “লোকে খাটনির টাকা পোস্ট অফিসে রাখছে। আর তা লোপাট হয়ে যাচ্ছে। পুলিশ কিছুই করছে না। সরকারি চাকরিরতদের টাকা পোস্ট অফিস থেকে এভাবে লোপাট হয়ে গেলে আর পুলিশ কিছু না করলে মানুষের ভরসা উঠে যাবে। গত দেড় বছরে জামালপুর থানা কিছুই করেনি। কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখে যদি এইভাবে মানুষ প্রতারিত হয় তাহলে মানুষ যাবে কোথায়?”
পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের হাত থেকে এডিজি সিআইডিকে তদন্ত হস্তান্তর করারও নির্দেশ দেন বিচারপতি। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এই মামলার পূর্বতন দুই তদন্তকারী আধিকারিককে ডেকে পাঠাতে হবে এডিজি সিআইডিকে। ওই দুই অফিসার এই তদন্তে কী পদক্ষেপ করেছেন, সে সংক্রান্ত তথ্যের ব্যাখ্যা নিতে হবে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই তদন্ত শেষ করতে হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “কেউ কোনও দায়িত্ব নেবে না। একটু কঠিন কাজ হলে সবাই দায় এড়িয়ে যাবে। এভাবে হয় না।” আদালতের কড়া অবস্থানের কিছুটা হলেও আশার আলো দেখছেন প্রতারিতরা।
সর্বশেষ খবর
-
জুন মাসে ‘এপ্রিল ফুল’! সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে বিভ্রান্তি সোশাল মিডিয়ায়
-
সব বিদ্রোহী এক ছাতার তলায়? ২১ জুলাইয়ের আগেই মমতাকে বিরাট ধাক্কার পরিকল্পনা, ইঙ্গিত সুদীপের
-
মরুভূমিতে ঘুরতে এসেও শান্তি নেই, ল্যাপটপ খুলে ‘ওয়ার্ক ফ্রম উট’ করলেন তরুণ! ভাইরাল ভিডিও
-
তৃণমূলের কোন শিবির বিধানসভায় ‘বিরোধী’! ‘ফ্লোর টেস্ট’ না করে সিদ্ধান্ত কীভাবে, প্রশ্ন আদালতের
-
অভিষেকের আপ্ত সহায়ক বিরুদ্ধে জারি লুক আউট নোটিস! আরও বিপাকে সুমিত