গোবিন্দ রায়: মাত্র দুটি শব্দ – এআই বা আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স। কিন্তু আগামী দিনে এই জোড়া শব্দই মানব সভ্যতাকে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে যুগান্তকারী বদল আনবে। এমনই জানাচ্ছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। এর লাভ-ক্ষতি, দুয়ের কথাই বলেছেন তাঁরা। এবার জানা গেল, চিটফান্ডে প্রতারিতদের টাকা ফেরাতে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজন্স) প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা ভাবছে কলকাতা হাই কোর্ট।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, এই প্রক্রিয়ার জন্য যাঁদের নিযুক্ত করা হবে, তাঁদের খরচ বহন করবে কে? রাজ্য বা কেন্দ্র কেউই এ ব্যাপারে দায়িত্ব নিতে চায় না। আদালতেরও সাফ কথা, আমানতকারীদের অর্থ থেকে এই কাজ করা যাবে না। রোজভ্যালি চিটফান্ডের আমানতকারীদের টাকা ফেরাতে গঠিত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দিলীপ শেঠ কমিটি (অ্যাসেট ডিসপোজাল কমিটি)-কে দায়িত্ব দিয়েছিল হাই কোর্ট৷ যদিও এই কমিটির বিরুদ্ধেই আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। তার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ ফরেনসিক অডিট করার দায়িত্ব নিতে বলে সেবিকে। কিন্তু সেবির আইনজীবী গতবারের শুনানিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁদের এই কাজ করার অধিকার নেই।
শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এবার দিলীপ শেঠ কমিটি বিরুদ্ধে তদন্তের দায়িত্ব ‘কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল’-কে (ক্যাগ) দিতে চায়। ক্যাগ এই কাজ করতে পারবে কি না, আগামী সপ্তাহে তা জানাতে হবে। এদিকে, অ্যালকেমিস্ট সংস্থার প্রায় আট লক্ষ টাকার আবেদনে বাজার থেকে ১৩৮৫ কোটি টাকা তুলে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। হাই কোর্টের নির্দেশ, অ্যালকেমিস্ট গ্রুপের অধীনে মোট কতগুলি সংস্থা ও তাতে কত টাকা লগ্নি করা হয়েছে, তার হিসেব দিতে হবে। ১৯ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
সর্বশেষ খবর
-
প্রথম ম্যাচের আগে সুস্থ হবেন ইয়ামাল, বার্তা স্প্যানিশ কোচ ফুয়েন্তের
-
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন তারকাই কি বাংলার পরবর্তী বোলিং কোচ? বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন হতেই জল্পনা
-
মাতলার চরে সবুজের উৎসব, সুন্দরবন বাঁচাতে রোপণ করা হল হাজার হাজার ম্যানগ্রোভ
-
গ্রেপ্তারির পর কেন কোমরে দড়ি পরিয়ে ঘোরানো হচ্ছে রাস্তায়? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট
-
‘বৈজ্ঞানিক সত্য’-র দায় নেই, ‘রাজনৈতিক সত্য’ হওয়ার