Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাঘের উচ্ছিষ্ট মাংস বাঙালির পাতে! নজরে চিড়িয়াখানা কর্মী

বাঘের এঁটো হজম করেছে বাঙালি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৮, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৮, ১৪:০৯

options
link
বাঘের উচ্ছিষ্ট মাংস বাঙালির পাতে! নজরে চিড়িয়াখানা কর্মী zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাগাড়ের মাংস তো পাতে পড়েইছিল। সম্ভবত বাঘের এঁটোও হজম করেছে বাঙালি। ভাগাড় কাণ্ডে উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। নজরে চিড়িয়াখানার কর্মী রামপ্রীত দাস।

 লাফিয়ে বেড়েছে আলুর দাম, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভাগাড় কাণ্ডে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চাঞ্চল্য গোটা রাতে। একাধিক ভাগাড় থেকে মাংস পাচারের চক্র ধরা পড়েছে। পুলিশের জালে উঠেছে মাংস বিশুও। মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তবে ভাগাড় কাণ্ডের মূলচক্রী হিসেবে উঠে এসেছে তার নামও। মাছের আড়ালে চলত মাংস ব্যবসা। এবার নজরে চিড়িয়াখানার কর্মী রামপ্রীত দাস। তিনিও কি নিজের কাজের আড়ালে মাংস চক্রের সঙ্গে যুক্ত? জল্পনা ছড়িয়েছে তা নিয়েই। চিড়িয়াখানায় পশুদের যে মাংস দেওয়া হত, তার উচ্ছিষ্ট ধাপায় ফেলার দায়িত্ব ছিল তাঁরই। কিন্তু সেই মাংস কি তিনি ধাপায় ফেলতেন? নাকি বাঘের এঁটো প্রসেস হয়ে পৌঁছে যেত বাঙালির পাতে! সেই সন্দেহই জোরদার হচ্ছে। ভাগাড় কাণ্ড ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই গা-ঢাকা দিয়েছেন ওই কর্মী। যদিও পরিবারের তরফে জানানো হচ্ছে, বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি দেশের বাড়ি গিয়েছেন। প্রতিবেশীরাও তাই জানেন। তবে ভাগাড় কাণ্ড থেকে বাঁচতেই তিনি শহর ছেড়েছেন কিনা সে সন্দেহ জোরদার হচ্ছে।

[  চলন্ত ট্রেনে মহিলার ছবি তুলে হেনস্তা, ধৃত রেলকর্মী ]

এদিকে জল্পনা মাথাচাড়া দেওয়ার পর থেকে সতর্ক চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও। তাদের তরফে জানানো হচ্ছে, বাঘের এঁটো মাংস ধাপায় ফেলার দায়িত্ব ছিল রামপ্রীতেরই। তবে তিনি তা ফেলতেন কিনা বা সেই মাংস নিয়ে তিনি কী করতেন তা আর স্পষ্ট নয়। ফলে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অতীতে তিনি কী করেছেন তাও জানার চেষ্টা করা হবে। এ ব্যাপারে সাহায্য নেওয়া হবে পুরসভারও। ভবিষ্যতেও তাঁর কাজের দিকে নজর রাখা হবে। কিন্তু এ সন্দেহ ছড়িয়ে পড়ার থেকে আতঙ্ক আরও জাঁকিয়ে বসেছে। ভাগাড়ের মাংস যে বাঙালির পেটে গিয়েছে তা নিয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু তাই বলে বাঘের এঁটো! রামপ্রীতের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সঠিক হলে বাঘের উচ্ছিষ্ট হজমের কথাও মেনে নিতে হবে ভোজনরসিক বাঙালিকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.