সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিবিআই বারবার দাবি করেছে, আর জি কর কাণ্ড বিরলতম। কিন্তু শিয়ালদহ আদালতের বিচারকের মত অন্য। সেই কারণেই দোষী সঞ্জয় রায়কে ফাঁসি নয়, আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরই সঞ্জয়ের ফাঁসির দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় সিবিআই। আগামিকাল শুনানিতে তদন্তকারী সংস্থার তরফে তথ্য তুলে ধরা হবে যে কেন এই ঘটনা বিরলতম। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, নিজেদের দাবির স্বপক্ষে কোন কোন যুক্তি তুলে ধরবে সিবিআই।
১. সঞ্জয়ের কোনওরকম মানসিক সমস্যা নেই। সম্পূর্ণ সুস্থ মস্তিষ্কে অপরাধ করেছে সে। তাই ফাঁসির সাজাই পাওয়া উচিত।
২.সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত। সে ধর্ষণ ও খুন করেছে তার প্রমাণ রয়েছে আদালতের কাছে। তা সত্ত্বেও এই ঘটনাকে বিরলতম নয় বলে দাবি করলে আদালতের প্রতি আস্থা হারাবে আমজনতা।
৩.আর জি কর কাণ্ড নৃশংস। এই ঘটনায় সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ ভয় পেয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
৪. মৃত চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুন গোটা বাংলাকে নাড়িয়ে দিয়েছে। চিকিৎসকরা বিচারের দাবিতে কর্মবিরতি করায় সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছে।
৫. সঞ্জয় কলকাতা পুলিশের অধীনে কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। তার কাজ মানুষকে সহযোগিতা করা। মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু উলটে ভয়ংকর নৃশংস কাজ করেছে সে।
৬.অভয়াকে ধর্ষণেক পরও রেহাই দেয়নি সঞ্জয়। তাকে খুনও করেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার কোনও মানে নেই।
সর্বশেষ খবর
-
ঝড়ের তাণ্ডবে বেসামাল ডিঙি, ভাগীরথীতে তলিয়ে মৃত্যু মহিলার
-
‘পনেরো জন তালিবান, আমি একা মেয়ে!’ আফগানিস্তানের সোলো ট্রিপে আশ্চর্য অভিজ্ঞতা ইনফ্লুয়েন্সারের
-
এআই দিয়ে মায়ের ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেল! অন্ডালে রহস্যমৃত্যু কিশোরের
-
যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের দ্বারস্থ জেলেনস্কি, তার মধ্যেই মস্কোর তৈল শোধনাগার উড়িয়ে দিল ইউক্রেন
-
শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার