Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Green Crackers

দীপাবলি-ছটপুজোর বাজি কতটা পরিবেশবান্ধব? শুধু রাজ্য নয়, নজর রাখবে কেন্দ্রের ২ সংস্থাও

নয়া নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২২, ১৫:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০২২, ১৫:০১

options
link
দীপাবলি-ছটপুজোর বাজি কতটা পরিবেশবান্ধব? শুধু রাজ্য নয়, নজর রাখবে কেন্দ্রের ২ সংস্থাও zoom

রাহুল রায়: দীপাবলি (Diwali) ও ছটপুজোয় (Chath Puja) বাজি পোড়ানো নিয়ে নয়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। উৎসবের মরশুমে বিক্রি হওয়া বাজি কতটা পরিবেশবান্ধব তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব শুধুমাত্র রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নয়। এই দায়িত্ব সামলাবে কেন্দ্রের দুই সংস্থাও। জানিয়ে দিল উচ্চ আদালত। পাশাপাশি কলকাতার বাজি (Fire Crackers) বাজারে যাতে সবুজ বাজি বিক্রি ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। ছুটির পর এ সংক্রান্ত রিপোর্ট নেবে হাই কোর্ট।

সামনেই কালীপুজো, দীপাবলি এবং ছটপুজো। বাজির মরশুম। প্রতিবছরই এসময় পরিবেশ দূষণ রুখতে সবুজ বাজি পোড়ানোর দাবিতে আদালতে মামলা হয়। এবারও অন্যথা হয়নি। হাই কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা শুনানি ছিল। বাংলায় সবুজ বাজি বিক্রি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাজ্যের সঙ্গেই দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে নজরদারির দায়িত্ব দিল হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। দায়িত্ব সামলাবে কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠান, পেশো ও নিরিও। কেন্দ্রীয় সরকারের দু’টি আলাদা সংস্থা খতিয়ে দেখবে কোনগুলো পরিবেশবান্ধব বাজি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রবল বৃষ্টিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের হোটেলে ঢুকে পড়ল লরি! আলিপুরদুয়ারে মৃত ২]

পাশাপাশি কলকাতা পুলিশকেও একগুচ্ছ নির্দেশিকা দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বলা হয়েছে,কলকাতায় বাজি বাজারে যাতে সবুজ বাজি বিক্রি ও ব্যবহারের ব্যাপারেও নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে। বাজি নিয়ে আদালতের নির্দেশ কার্যকর হল কি না, তার রিপোর্ট দিতে হবে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। পুজোর ছুটির পরে কোর্ট খোলার এক সপ্তাহের মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে।

সুপ্রিম কোর্ট ও পরিবেশ আদালতের নির্দেশ মেনে সবুজ বাজি তৈরি ও বিক্রির বিষয়ে সহযোগিতা ও নজরদারি করতে পারে পেশো ও নিরি। রাজ্যে এখনও সবুজ বাজি তৈরির পরিকাঠামো নেই তা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে এদিনের শুনানিতে স্পষ্ট হয়ে যায়। ফলে বাইরে থেকে সব সবুজ বাজি আমদানি করতে হয়।

[আরও পড়ুন: বোর্ড প্রসিডেন্ট হিসেবে অধ্যায় শেষ সৌরভের? আইসিসি-তে যাওয়া নিয়েও ধোঁয়াশা! নতুন দায়িত্বে কারা?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.