Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Cancer

টিকাতেই জব্দ জরায়ুর ক্যানসার, ঠেকানো যায় মৃত্যুও!

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৫, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৫, ১৬:২৫

options
link
টিকাতেই জব্দ জরায়ুর ক্যানসার, ঠেকানো যায় মৃত্যুও! zoom
প্রতীকী ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার: প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজন হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসে আক্রান্ত। যা থেকে পরবর্তীতে হতে পারে পুরুষের যৌনাঙ্গে ক্যানসার, মেয়েদের জরায়ুমুখের ক্যানসার (সার্ভিকাল ক্যানসার)।  শহরে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস নিয়ে এক আলোচনা সভায় কার্যত এমনই বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনলেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বাসব মুখোপাধ্যায়। জানালেন, এই ভাইরাসের ১০০টি টাইপ রয়েছে। তার মধ্যে ‘টাইপ ৬’, ‘টাইপ ১১’ কম ঝুঁকিপূর্ণ। যা থেকে পুরুষ-মহিলাদের মধ্যে নিম্নাঙ্গে আঁচিল কিংবা গুটি দেখা যায়।

আশপাশে অনেকেরই এমনটা রয়েছে। তাঁরা জানেন না শরীরে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ঢুকেছিল। তবে টাইপ ১৬ অথবা টাইপ ১৮ শরীরে প্রবেশ করলেই বিপদ। যা থেকে পরবর্তীতে হতে পারে পুরুষের যৌনাঙ্গে ক্যানসার, মেয়েদের জরায়ুমুখের ক্যানসার (সার্ভিকাল ক্যানসার)। চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. দীপান্বিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পুরুষাঙ্গের ক্যানসারে মৃত্যুর হার কম। তা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মহিলাদের মধ্যে সার্ভিকাল ক্যানসার বা জরায়ুমুখ ক্যানসার ক্রমশ বাড়ছে। চিত্তরঞ্জনে ক্যানসার আক্রান্ত যত মহিলা আসছেন তার মধ্যে সত্তর শতাংশ এই সার্ভিকাল ক্যানসারে আক্রান্ত। প্রত্যেকেই আসছেন স্টেজ থ্রি অবস্থায়।

Advertisement

শরীরে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস প্রবেশ করলে পঁচানব্বই শতাংশ ক্ষেত্রেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তাকে বের করে দেয়। কিন্তু কোন পাঁচজনের ললাটে ক্যানসার লেখা কেউ তা জানে না। চিকিৎসকরা বলছেন, বাঁচার উপায় একটাই। সময় থাকতে এইচপিভি ভ্যাকসিন নিতে হবে। ইতিমধ্যেই বিহারে সরকারি স্তরে ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সিদের বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। যার জন্য সিরাম ইনস্টিটিউটের কাছে ৯৪ লক্ষ ভ্যাকসিনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে।

কলকাতার সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে রয়েছে এইচপিভি ভ্যাকসিন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সিদের দেওয়া যায় এই ভ্যাকসিন। প্রথমবার নেওয়ার ছ’মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে। যদি কেউ ১৪ বছরের মধ্যে না নেয় সেক্ষেত্রে নিতে হবে তিনটি ডোজ। ১৪ থেকে ২৬ বছর বয়সিদের জন্য প্রথম ডোজ নেওয়ার দু’মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ, প্রথম ডোজ নেওয়ার ছ’মাসের ব্যবধানে তৃতীয় ডোজ নিতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন একটি ভ্যাকসিন আনার চিন্তা করছে। যা ৪৫ বছর পর্যন্ত নেওয়া যাবে। এটি এক ডোজের ভ্যাকসিন। এদিন সার্ভিকাল ক্যানসার সচেতনতা অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথের অধ্যাপক ডা. জয়দীপ চৌধুরী, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. পল্লব চট্টোপাধ্যায়, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.