রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক ইস্তফার জেরে ভেঙেছে বেশ কয়েকটি পুর বোর্ড। এই আবহে আর একটি পুর বোর্ড ভাঙার মুখে। মঙ্গলবার ইস্তফা দিলেন দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান হরিন্দর সিংহ ও ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট। এদিন পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে নিজেদের ইস্তফাপত্র দেন তাঁরা।
এই বিষয়ে আরও খবর
এদিন হরিন্দর বলেন, “পুরসভায় পর্যাপ্ত কর্মী নেই। মানুষ আসছেন, কিন্তু পরিষেবা দিতে পারছি না। কর্মীরাই তো কাজ করেন। অনেকদিন ধরে কর্মী নিয়োগ হচ্ছিল না। মানুষের কাজ করতে না পেরে চেয়ারে বসে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি আরও জানান, কর্মীর অভাব থাকায় কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মীকে কাজের জন্য রাখা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকারের নতুন নীতির কারণে তাঁদের দিয়েও আর কাজ করানো যাচ্ছে না। এরফলে কাজের গতি থমকে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চেয়ারম্যান। হরিন্দর জানান, ১১-১২ বছর তিনি দমদম পুরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন। তার আগে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান পদেও ছিলেন। গত ৩৩ বছর ধরে তিনি কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গতকালই দীর্ঘ ১৭ বছরের বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস চেয়ারম্যান পদ, কাউন্সিলর পদ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যপদ থেকে ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন। পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, বারাকপুরের মানুষ তৃণমূল, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘদিন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলানোর পর জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে দল থেকেও অব্যাহতি নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
এমবাপে ম্যাজিকেই বাজিমাত, সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল ফ্রান্স
-
প্রথমবার নেহরু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন, হকিতে ভারত জয় পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের
-
হকার উচ্ছেদ ঘিরে কৃষ্ণনগর স্টেশনে ধুন্ধুমার! পুলিশের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতি সিটু, এসইউসিআই কর্মীদের
-
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
-
সরকারি কাজেই আধারের অপব্যবহার? এবার কেন্দ্র ও UIDAI-কে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের



