Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Calcutta HC

রয়েছে CISF জওয়ান, বন্ধ পড়াশোনা, সুরাহা চেয়ে হাই কোর্টে ট্যাংরার চিনে স্কুল

২০২৪ সালে RG করের ঘটনার পর থেকে 'সুপ্রিম' নির্দেশে এই স্কুলে রয়েছেন CISF জওয়ানরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ২০:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ২০:০১

options
link
রয়েছে CISF জওয়ান, বন্ধ পড়াশোনা, সুরাহা চেয়ে হাই কোর্টে ট্যাংরার চিনে স্কুল zoom

গোবিন্দ রায়: ২০২৪ সালের আগস্টে আর জি কর হাসপাতালে জুনিয়র চিকিৎসকের ধর্ষণ, খুনের পর শহরের নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত সিআইএসএফ জওয়ানদের। সেই থেকে জওয়ানরা রয়ে গিয়েছেন ট্যাংরার চিনেপাড়ার একমাত্র স্কুল পেই মে ক্যাম্পাসে।আগে থেকেই এখানে পড়াশোনা থমকে গিয়েছিল। এবার দীর্ঘদিন ধরে সিআইএসএফ জওয়ানদের জন্য স্কুলের পড়াশোনাও চালু করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে সুরাহা চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল স্কুল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে মামলাটি ওঠে। এ বিষয়ে রাজ্যের কাছে নথি চাইল উচ্চ আদালত। পরবর্তী শুনানি ১৫ জানুয়ারি।

কলকাতার চিনেপাড়া বলে পরিচিত ট্যাংরা, তপসিয়ার একটা বড় এলাকা। এখানকার রেস্তরাঁই শুধু বিখ্যাত নয়। এখানে বসবাসকারী চিনা মানুষজনও নিজেদের মতো জীবন কাটান। ছোটদের জন্য এখানে রয়েছে একটি চিনে স্কুলও। তার নাম পেই মে চাইনিজ স্কুল। এমনকী মাস খানেক আগে পর্যন্ত এখান থেকে একমাত্র চিনে সংবাদপত্রটিও প্রকাশিত হতো। কিন্তু সম্প্রতি তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যেমন ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি – এত দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পেই মে স্কুলটিও। এতদিন ধরে এখানে রয়েছেন সিআইএসএফ জওয়ানরা। আর জি করের ঘটনার পর নিরাপত্তার জন্য তাঁদের মোতায়েন করা হয়েছিল। থাকার জায়গা হিসেবে ঠিক করা হয়েছিল ট্যাংরার একমাত্র চিনে স্কুলটিকেই। কারণ,  সেসময় স্কুলে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ১৮টি শ্রেণিকক্ষে তাঁরা রয়েছেন।

Advertisement

কিন্তু এভাবে আর কতদিন? ছেলেমেয়েদের শিক্ষাই যে থমকে গিয়েছে। তাই স্কুল খুলতে চেয়ে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল কর্তৃপক্ষ। স্কুল ক্যাম্পাসের ১৮ টি ক্লাসরুম খালি করতে চেয়ে আবেদন জানানো হল হাই কোর্টে। শুক্রবার শুনানিতে আদালতে রাজ্যের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই সিআইএসএফ জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে এবং তাঁদের থাকার জায়গা হিসেবে সেসময় বেছে নেওয়া হয়েছিল বন্ধ থাকা এই স্কুলটিকে। এনিয়ে রাজ্যের কাছে কী নথি রয়েছে, তা দেখতে চান বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। ১৫ জানুয়ারি এনিয়ে পরবর্তী শুনানি। কবে স্কুল খুলে আবার পড়াশোনা শুরু হবে? তা নিয়ে চিন্তা কাটছেই না চিনেপাড়ার মা-বাবাদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.