Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Child trafficking

রাজ্যে সক্রিয় শিশুপাচার চক্র! শালিমারের পর নাগেরবাজারে গ্রেপ্তার দম্পতি, উদ্ধার শিশুকন্যা

দম্পতি শিশু পাচারের অংশ হলেন কী করে? তাঁদের পরিচয় কী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৫, ১৫:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২৫, ১৫:৫৯

options
link
রাজ্যে সক্রিয় শিশুপাচার চক্র! শালিমারের পর নাগেরবাজারে গ্রেপ্তার দম্পতি, উদ্ধার শিশুকন্যা zoom
প্রতীকী ছবি

অর্ণব আইচ: শহর ও শহরতলীজুড়ে বিরাট শিশুপাচার চক্রের হদিশ! মাস দুয়েক আগে শালিমার স্টেশন থেকে শিশুকন্যা-সহ দম্পতিকে গ্রেপ্তারের পর, সোমবার নাগেরবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার আরও এক দম্পতি। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা পাচারকারীদের কাছ থেকে দু’মাসের শিশুকন্যাকে কিনেছেন। তাঁদের থেকে শিশুকন্যাটি উদ্ধার হয়েছে। তাকে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। দম্পতিকে জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

ওই দম্পতি পাচারকারীদের কবলে পড়লেন কী করে? তাঁদের পরিচয় কী? সিআইডি সূত্রে খবর, ধৃত দম্পতির নাম বিজয় ও নেহা সাঁওতালিয়া। তাঁরা নাগেরবাজার থানা এলাকার যশোর রোডের ধারে এক আবাসনের বাসিন্দা। বিজয় একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তাঁদের সাত বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। কিছুদিন আগে নেহা গর্ভবতী হন। তবে শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁর গর্ভপাত হয়। চিকিৎসকরা জানান, তিনি আর সন্তান জন্ম দিতে পারবেন না। কিন্তু দম্পতির কন্যা সন্তানের অভিভাবক হওয়ার ইচ্ছা ছিল। সেই তাড়নায় শিশুপাচার চক্রের সদস্য জ্যোৎস্না নামের এক মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ করেন দম্পতি। এদের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করেন বিশাল নামের এক যুবক। এই জ্যোৎস্নাকে আগেই গ্রেপ্তার করেছেন গোয়েন্দারা। তবে বিশাল ও তার এক সঙ্গী জুলির খোঁজ করছে সিআইডি।

Advertisement

সিআইডি জ্যোৎস্না ও সাঁওতালিয়া দম্পতির খোঁজ পেল কী করে? গত নভেম্বর মাসে সাঁতরাগাছি স্টেশনে এক শিশুকন্যা-সহ মানিক ও মুকুল হালদার নামে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই প্রথমে শিশুপাচার চক্রের হদিশ পান গোয়েন্দারা। শিশুটিকে পাটনা থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছিল। বিক্রি করার ছক ছিল। ধৃত মানিক শিশু পাচারের জন্য ফেসবুকে একটি গ্রুপও খোলে বলে জানিয়েছে সিআইডি। দুজনকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জ্যোৎস্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে জেরা করেই নাগেরবাজারের এই দম্পতির খোঁজ পাওয়া যায়। এবং উঠে আসে আরও এক পাচারকারীর নাম।

সিআইডির দাবি, জ্যোৎস্না জানিয়েছে নাগেরবাজারে দম্পতিকে শিশু বিক্রি করায় তাদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করে বিশাল। ৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে বিক্রি করা হয়। শিশুপাচারের সঙ্গে যুক্ত বিশাল ও জুলি নামে দুজনকে খুঁজছেন গোয়েন্দারা। সিআইডির দাবি, তাদের গ্রেপ্তারের পরই জানা যাবে এই চক্র কতদূর ছড়িয়ে। এর আগে বিশাল অনেক শিশুকে বিক্রি করেছে বলে দাবি রাজ্য গোয়েন্দাদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.