সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুগ্ধশিল্পকে চাঙ্গা করতে বড় উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। মাদার ডেয়ারি, মেট্রো ডেয়ারির পর সম্পূর্ণরূপে রাজ্য সরকারি উদ্যোগে দুগ্ধজাত পণ্যের নতুন সংস্থা চালু হতে চলেছে, যার নাম ‘বাংলা ডেয়ারি’। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। তবে কবে থেকে তা চালু হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্রুতই ‘বাংলা ডেয়ারি’র কাজ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
বরাবরই অন্যের উপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের রাজ্যে যে কোনও খাদ্যসামগ্রী উৎপাদনের পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই মনোভাব শিল্পবিস্তারে সহায়ক। এবার দুগ্ধশিল্পেও তাই নিজস্ব উৎপাদনকেই জোর দিচ্ছেন তিনি। আর তাই বাংলা ডেয়ারির ভাবনা।
[আরও পড়ুন: ভরদুপুরে কিশোরীকে পিষে দিল ট্রাক, ‘মদ্যপ’ চালকের শাস্তির দাবিতে উত্তাল তারাতলা]
এদিন নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”বাংলার নিজস্ব দুগ্ধজাত সংস্থা তৈরি হবে। তার নাম হবে বাংলা ডেয়ারি। আমরা এটা ভেবেছি। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। বাংলার নিজস্ব দুগ্ধজাত দ্রব্যও তৈরি হবে।”

প্রসঙ্গত রাজ্যের নিজস্ব দুগ্ধ প্রকল্প এটাই নতুন নয়। এর আগে সুন্দরবনে ‘সুন্দরিনী’ প্রকল্পে প্যাকেটজাত দুধ বিক্রি সাফল্যের মুখ দেখেছিল সম্পূর্ণ স্বনির্ভর উদ্যোগে। তাতে রাজ্যজুড়ে কম দামে প্যাকেটজাত দুধ বিক্রির উদ্যোগ নেয় রাজ্য সরকার৷ ঠিক হয়, দৈনিক ২০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে খুব শীঘ্রই চালুর ভাবনা রয়েছে এই প্রকল্পের৷ প্রায় ৩০ কোটি টাকা খরচে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ‘সুন্দরিনী’ প্রকল্প চালু হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এবার ‘বাংলা ডেয়ারি’ চালুর ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী বোঝালেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজ্যের শিল্পপ্রসারে স্বনির্ভরতায় জোর দিচ্ছে সরকার।
[আরও পড়ুন: ভিড় এড়াতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী, বাড়তে পারে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের সংখ্যা ও সময়সীমা]
সর্বশেষ খবর
-
জন্ম থেকে দলের ‘মালিকানা’ বদল, মমতার তৃণমূলের ২৮ বছরের ইতিবৃত্ত
-
জিনিয়াস স্পোর্টস নয়, আইএসএল আয়োজনের অধিকার খুব সম্ভবত পেতে চলেছে ক্লাবগুলি
-
ফেডারেশনের বৈঠকে রণক্ষেত্র টলিপাড়া, ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর বিরুদ্ধে ‘চোর চোর’ স্লোগানে ছোঁড়া হল ডিম
-
সমর্থকদের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা, হোটেল আর ট্রেনিংয়ে ‘কারফিউ’ ব্রাজিলের
-
বন্ধুত্বের উপহার, প্রথমবার সংসদে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েও রাজ্যসভা আসন কংগ্রেসকে ছাড়লেন বিজয়