সাংবাদিকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এবার রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত সব সাংবাদিক পেনশন বাবদ পাবেন ৫০০০ হাজার টাকা। এখানেই শেষ নয়, যারা এখন কর্মরত তাঁরা পুজোর আগে পাবেন বোনাসও। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে শুভেন্দু অধিকারী আরও জানালেন, রাজ্যের সব সাংবাদিক মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার সুবিধা পাবেন।
অবসরপ্রাপ্ত সংবাদিকরা এবার পেনশন বাবদ পাবেন মাসে ৫০০০ টাকা। যাদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নেই, তাঁরাও পাবেন পেনশন। প্রতিবছর পুজোর আগে কলকাতা ও জেলার যে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড রয়েছে তাঁরা সরকারের তরফে সামান্য একটা টাকা পেতেন বোনাস হিসেবে। এবার তা বাড়িয়ে করা হল ৩০০০ টাকা। এখানেই শেষ নয়। এক্ষেত্রেও আর অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের প্রয়োজনীয়তা থাকছে না। রাজ্যের যে সাংবাদিকরা আবেদন করবেন, তাঁরা সকলেই এই পুজো ‘বোনাস’ পাবেন। পাশাপাশি সব সাংবাদিকরাই মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার সুবিধা পাবেন বলে জানান শুভেন্দু।
আরও পড়ুন:
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কয়েকবছর আগে অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের জন্য পেনশন চালু করেছিলেন। প্রতিমাসে তাঁরা পান ২৫০০ টাকা। তবে সেক্ষেত্রে যাদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড আছে তাই এই পেনশন স্কিমের আওতায় ছিলেন। তবে এই অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পান মূলত যারা ফিল্ডে কাজে করেন তাঁরা। সেই সংখ্যাটাও খুব কম। কারণ, এই কার্ড ইস্যু করা হয় সংস্থার গুণমান যাচাইয়ের পর। ফলে যারা ডেস্ক সাংবাদিক, তারা বছরের পর পর সংবাদমাধ্যমে কাজ করলেও সরকারি সুবিধা পেতেন না। তাঁদের জন্যই এবার বড় উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অবসরপ্রাপ্ত সংবাদিকরা এবার পেনশন বাবদ পাবেন মাসে ৫০০০ টাকা। যাদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নেই, তাঁরাও পাবেন পেনশন। প্রতিবছর পুজোর আগে কলকাতা ও জেলার যে সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড রয়েছে তাঁরা সরকারের তরফে সামান্য একটা টাকা পেতেন বোনাস হিসেবে। এবার তা বাড়িয়ে করা হল ৩০০০ টাকা। এখানেই শেষ নয়। এক্ষেত্রেও আর অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের প্রয়োজনীয়তা থাকছে না। রাজ্যের যে সাংবাদিকরা আবেদন করবেন, তাঁরা সকলেই এই পুজো ‘বোনাস’ পাবেন। পাশাপাশি সব সাংবাদিকরাই মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার সুবিধা পাবেন বলে জানান শুভেন্দু। এরপরই সংবাদ মাধ্যমকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সমালোচনা করবেন, গঠনমূলক আলোচনাও করবেন। প্রয়োজনে দেখা করতে আসবেন। তবে দেশপ্রেমের প্রশ্নে সকলে কঠোর নীতি নিয়ে চলবেন। দেশ দূর্বল হবে, দেশ অস্থির হবে, এমন কাজ আমরা কেউ করব না। আমার সমালোচনা করুন, দলের করুন, কিন্তু দেশপ্রেমের ক্ষেত্রে কঠোরতা নিয়ে চলুন।” তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, এমন কোনও ভাষা ব্যবহার করা যাবে না যাতে কারও ধর্মীয় আস্থায় আঘাত হয়।
সর্বশেষ খবর
-
অন্ধ হবে শত্রুর ‘চোখ’! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে দিল্লিকে এস-৫০০, সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের
-
আইপিএলের পর আর মাঠেই নেই, ফের চোটে টিম ইন্ডিয়ায় অনিশ্চিত হার্দিক, কেন এত সমস্যা?
-
‘হৃদয়ে থেকে যাবে এই ১০ নম্বর’, মেসির অবসর ঘোষণায় মন খারাপ ‘ভক্ত’ করিনার
-
হৃদয়ে কৃষ্ণপ্রেমের জন্মই কি ভক্তের প্রকৃত সিদ্ধি! কেন পালিত হয় জন্মাষ্টমী?
-
দীর্ঘ বিরতির পর ফিরছে মা-মাসির কিচেন, আরও কিছুদিন দেখা যাবে প্রিয় ‘দাদু’র হাসিমাখা মুখ!