Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো মুখ্যমন্ত্রীর, আমিষ বিতর্ক সরিয়ে মাছ দিয়ে খেলেন ভোগ

বাগেশ্বর বাবা সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী জানান, একজন সন্ত নিজের মত প্রকাশ করেছেন। যাঁদের গ্রহণ করার করবে, না করার হয় করবে না।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৯:১২

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১৯:১২

options
link
কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো মুখ্যমন্ত্রীর, আমিষ বিতর্ক সরিয়ে মাছ দিয়ে খেলেন ভোগ zoom
১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার। কালীঘাট মন্দিরে মাটিতে বসে ভোগের মাছ, পোলাও খাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।
Advertisement

কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে আমিষ বিতর্কের কার্যত অবসান ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি মন্দিরে পুজো দিয়ে মায়ের ভোগ গ্রহণ করেন। মাটিতে বসে ভোগের বাসন্তি পোলাও, মাছের মাথা, মাছ ভাজা খান তিনি। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাগেশ্বর বাবা সম্পর্কে জানান, একজন সন্ত নিজের মত প্রকাশ করেছেন। যাঁদের গ্রহণ করার করবে, না করার করবে না।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কালীঘাট মন্দিরে জবার মালা, লাল বেনারসি শাড়ি দিয়ে মায়ের পুজো দেন মুখ্য়মন্ত্রী। মা কালীর পা ধুয়ে দিয়ে অঞ্জলি দেন তিনি। তারপর আরতিও করেন। পুজো শেষে মন্দিরেই মাটিতে বসে ভোগ খান মুখ্যমন্ত্রী। সেই ভোগের মেনুতেই ছিল চমক। শুভেন্দুর পাতে ছিল মাছের মুড়ো, মাছ ভাজা এবং বাসন্তি পোলাও। ভোগ গ্রহণ করার পর মন্দির চত্বরে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মা যেন শক্তি দেন, দেশবিরোধী শক্তিকে যেন রাজ্য থেকে পরিষ্কার করতে পারি।” আমিষ নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “একজন সন্ত বাবা নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন। যার গ্রহণ করার করবে, না করার করবে না। আমি নিজে অষ্টমীর দিন সাত্বিক আহার খাই। কার্তিক মাসেও সাত্বিক আহার গ্রহণ করি। আবার মায়ের মাছের ভোগও গ্রহণ করি। পাঠা বলির প্রসাদও গ্রহণ করি। আজ দুপুরে মন্দিরে যা ভোগ দেওয়া হয়েছিল, মাছের মাথা, মাছ ভাজা ছিল, বাসন্তি পোলাও খেয়েছি। সনাতন সংস্কৃতি জাগ্রত থাকবে। গেরুয়া ধ্বজ সবসময় উপরে থাকবে। কখনও নিচে নামবে না।”

দুর্গাপুজোর আগে বঙ্গে পা রেখেই নতুন করে আমিষ বিতর্কে উসকে দেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবা। নিজের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, দুর্গাপুজোয় যাঁরা আমিষ খান, তাঁরা ‘পাখণ্ডী’ বা ভেকধারী বা ভণ্ড। পুজোর সময় আমিষ ত্যাগেরও নিদান দেন তিনি। আর যা ঘিরে পুজোর মুখে দানা বাধে বিতর্ক। যদিও ধর্মগুরুর এই নিদানকে আমল দিতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্বের একাংশই। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, বহিরাগত কোনও সাধুর পরামর্শে বাঙালির সংস্কৃতি বা খাদাভ্যাস বদলে যাবে না। আমিষ ভোজনে শমীকের পথে হেঁটেই বিতর্ক উড়িয়েছেন সুকান্ত মজমুদার থেকে দিলীপ ঘোষরাও। দুর্গাপুজোয় আমিষ ভোজনে কোনও আপত্তি নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বাঙালি খাদাভ্যাসে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করবে না সরকার। এবার কালীঘাটের মন্দিরে আমিষ ভোগ খেয়ে সব বিতর্কের অবসান ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.