গোবিন্দ রায়: ২০০৯ সালে বাম আমলে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ। ওই বছরের পূর্ব মেদিনীপুরের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব তথ্য ও নথি বাজেয়াপ্ত ও সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ, পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক ওই নিয়োগ সংক্রান্ত সব নথিপত্র অবিলম্বে নিজের হেফাজতে নেবে। মামলার পরর্বতী শুনানি আগামী ১৯ ডিসেম্বর।
জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালে তৎকালীন বাম আমলে প্রাথমিকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তার ভিত্তিতে ২০১০ সালে পরীক্ষা হয়। পরের এক বছরের মধ্যে বেশিরভাগ জেলার নিয়োগ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও চারটি জেলায় নিয়োগ হয়নি। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও মালদা ছিল তালিকায়। কিন্তু পরবর্তীতে ২০০৯ সালের প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ইন্টারভিউ বোর্ডের পরীক্ষকেরা নিজেদের আত্মীয়দের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলে হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন মৃণালকান্তি মাইতি।
এর আগে ওই মামলায় শিক্ষাদপ্তরের সচিবের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিলেন তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই সময় সচিব মামলাকারীর দাবির সত্যতা রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন। ইতিমধ্যেই নিয়োগের ১৪ বছর কেটে গিয়েছে। বাম আমলের প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগের প্রক্রিয়ায় চাকরি করছেন অনেকেই। এবার সেই সমস্ত প্রার্থীদের নিয়োগ সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দিল আদালত। আদালতে আবেদনকারী চাকরিপ্রার্থীর অভিযোগ ছিল, ওই জেলার ইন্টারভিউ বোর্ডের আধিকারিকদের আত্মীয়দের অবৈধভাবে পক্ষপাতিত্ব করে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
পুলিশি সুরক্ষাতেও রক্ষা নেই! রাতে জনতার ‘তাড়া’ খেয়ে সিতাই ছাড়লেন সস্ত্রীক জগদীশ বসুনিয়া
-
‘পড়ুয়ারা আমাদের সন্তান’, ঝাড়খণ্ডে পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক বিজেপির
-
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিচার্জ-টিয়ার গ্যাস! ঝাড়খণ্ডে পুলিশের ‘বর্বরতা’য় ফুঁসছেন প্রকাশ
-
আমজনতার চেয়ে গড় আয়ু কম ডাক্তারদের! কিন্তু কেন? সামনে এল চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
-
জোড়াফুল প্রতীক কার হাতে? চলতি সপ্তাহেই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ মমতা-ঋতব্রতর