সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাসপাতালে নেই করোনা আক্রান্ত মা এবং তাঁর সন্তান! নিঁখোজ কোভিড রোগীকে নিয়ে কার্যত শোরগোল পড়ে যায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। গোটা হাসপাতাল চত্বর তন্য-তন্য করে খুঁজে কোথাও মেলেনি রোগীর সন্ধান! এরপরই তড়িঘড়ি পুলিশকে খবর দেওয়া হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে। শেষমেশ ঘণ্টা খানেক পুলিশের দৌঁড়ঝাপের পরই বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ওই করোনায় আক্রান্ত মহিলা এবং তাঁর সন্তানকে।
সোমবার বিকেলের ঘটনা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, দিন দশেক আগেই করোনা আক্রান্ত হয়ে সদ্যোজাত সন্তানকে নিয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে (Kolkata Medical College Hospital) ভরতি হন ওই মা। নিয়মানুযায়ী রিপোর্ট পাওয়ার দশ দিনের মাথায় কোনও উপসর্গ না থাকলে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় রোগীকে। সেই অনুযায়ী, এদিন সদ্যোজাতের ছুটির কথা বলা হয়। কারণ, তার কোনওরকম অসুস্থতা বা উপসর্গ ছিল না। কিন্তু মায়ের ছুটি ঘোষণা করা হয়নি। তাই বাচ্চার ছুটি হওয়ার পর সেই কাগজ হাতে নিয়েই ওই মহিলা হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সোজা বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
[আরও পড়ুন: ‘ভয়কে জয় করুন’, কোভিড যুদ্ধে সাহস জোগাতে কাজে নেমে বার্তা করোনাজয়ীদের]
এদিন বিকেলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইডেন বিল্ডিংয়ে চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখেন বেডে নেই মা ও শিশুর কেউই। এদিক-ওদিক হন্যে হয়ে খুঁজেও মেলেনি সন্ধান! তা নিয়ে প্রথমটায় স্বাভাবিকবশতই একেবারে শোরগোল পড়ে যায়। দেরি না করে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালের তরফে বউবাজার থানায় খবর দেওয়া হয়। হাসপাতালের রেজিস্টারে থাকা ঠিকানা ধরে পুলিশ প্রগতি ময়দান থানা এলাকার ওই প্রসূতির বাড়িতে গিয়ে দেখেন সন্তান নিয়ে বাড়িতেই বসে আছেন মা। ফের সেখান থেকে সন্তান-সহ তাঁকে নিয়ে আসা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
[আরও পড়ুন: ভুয়ো অক্সিমিটার অ্যাপ ব্যবহারে উধাও হতে পারে টাকা! রাজ্যবাসীকে সতর্ক করল CID]
সর্বশেষ খবর
-
তামাক বা নিকোটিন থাকলেই নিষিদ্ধ গুটখা-পান মশলা! জনস্বাস্থ্যে কোন রাজ্যে বড় সিদ্ধান্ত?
-
চারটি জনপ্রিয় প্ল্যান বন্ধ করল এয়ারটেল, গ্রাহকদের খরচ বাড়বে ১৬%!
-
১০ হাজারের বেশি রোজগারে মিলবে না অন্নপূর্ণা! আরও একাধিক শর্ত বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী
-
প্রকাশ্যে মহিলা ভক্তের ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে বিতর্কে নিকিতা! মুখ খুলেই ফের বিস্ফোরণ ঘটালেন নায়িকা
-
মমতার দেওয়া ‘বাংলা’ নয়, ওয়েস্ট বেঙ্গলও নয়, রাজ্যের নাম কী হওয়া উচিত? সংসদে বললেন শমীক