Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
সুজন চক্রবর্তী

যাদবপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ধর্মঘট সমর্থকদের, আটক সুজন চক্রবর্তী

সকাল থেকেই উত্তপ্ত যাদবপুর, গ্রেপ্তার প্রায় ১৫০ বাম সমর্থক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ১১:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ১১:৩৪

options
link
যাদবপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ধর্মঘট সমর্থকদের, আটক সুজন চক্রবর্তী zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বামেদের ধর্মঘট ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। শহর কলকাতায় সার্বিকভাবে ধর্মঘটের তেমন প্রভাব না পড়লেও, যাদবপুর এলাকা সকাল থেকেই উত্তপ্ত। সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ড এলাকা পুলিশ ও ধর্মঘটীদের সংঘর্ষে রীতিমতো রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। আটক করা হয় সিপিএম নেতা তথা বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীকে

Strike
এদিন পূর্বপরিকল্পনা মতো যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ড থেকে মিছিল করেন বাম সমর্থকরা। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty)। সেই মিছিল ঘিরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মিছিল থেকে আশেপাশের দোকান বন্ধ করতে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই বামেদের মিছিল আটকায় পুলিশ। মিছিল থেকে পালটা পুলিশের গাড়িতে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের গাড়ি এবং বাসে ব্যাপক ভাঙচুর চালান ধর্মঘট সমর্থকরা। বাধা দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। মারমুখী ধর্মঘটীদের লাঠিচার্জ করে পুলিশ। নামানো হয় ব়্যাফ। ততক্ষণে পুলিশের একটি গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করতে আটক করা হয় সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীকে। আটক করা হয় প্রায় দেড়শো ধর্মঘটীকে। এদিন সকালেই সুজন চক্রবর্তী দাবি করেন, বনধ সার্বিকভাবে সফল। রাজ্য সরকার বনধ ব্যর্থ করার জন্য উঠেপড়ে লাগার পরও মানুষ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বনধে সাড়া দিয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বামেদের ধর্মঘটে উত্তেজনা বর্ধমানে, আক্রান্ত বাস ও লরিচালকরা]

যাদবপুরের পরিস্থিতিত উত্তপ্ত হলেও শহরের অন্যান্য প্রান্তে ধর্মঘটের তেমন প্রভাব পড়েনি। এদিন হাজরা মোড়ে অন্যদিনের মতোই ছবি চোখে পড়ে। সরকার ও বেসরকারি বাস যথেষ্ট পরিমাণ নজরে পড়লেও অন্যদিনের তুলনায় এদিন যাত্রীসংখ্যা কম ছিল। ধর্মতলা ডিপো থেকে সরকারি বাস পরিষেবা স্বাভাবিক। বেসরকারি বাসের সংখ্যা অন্যদিনের তুলনায় কম। বড়বাজার এলাকায় বনধের ভাল প্রভাব পড়েছে। এই এলাকায় দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে কংগ্রেস সমর্থকরা। হাওড়া স্টেশনের ছবিটা অন্যদিনের তুলনায় একটু হলেও আলাদা। যাত্রীসংখ্যা অন্যদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। তবে, হাওড়া স্টেশনে প্রিপেড ট্যাক্সির সংখ্যা কম।

ফাইল ছবি

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.