বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: স্বাধীনতা দিবসে রাজভবনের চা-চক্রে রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকরা কেন অনুপস্থিত থাকলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। সময়ের অনেক আগেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রাজভবনে গিয়ে তাঁরা তৃণমূলের দলীয় কর্মীর মতো আচরণ করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।
স্বাধীনতা দিবসের দিন রাজভবনের চা-চক্র একটি পরম্পরা। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকেন। আমন্ত্রিত থাকেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতৃত্ব ও গণ্যমান্যরাও। শনিবার বিকেল পাঁচটায় এই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও অনেক আগেই রাজভবনে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রশানের শীর্ষ কয়েকজন আধিকারিক। করোনা আবহে ভির এড়াতেই তিনি সময়ের আগেই এসেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা কেন রাজ্যপালের চা-চক্র এড়িয়ে গেলেন তা নিয়ে সরব হলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।
[আরও পড়ুন: ৩০ বছরের ছায়াসঙ্গীর প্রয়াণ, দিলীপ গিরিকে হারিয়ে নিঃসঙ্গ বিমান বসু]
তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনিক কর্তারা যে আচরণ করেছেন তা দৃষ্টিকটু। কেন মুখ্যসচিব বা স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি বা পুলিশ কমিশনার অনুপস্থিত থাকলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আধিকারিকরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গিয়ে দলীয় বাহিনীর মতো আচরণ করেছেন। এতে প্রমাণ হয় রাজ্যে প্রশাসন বলে কিছু নেই। যারা আছেন তারা ভেকধরা পার্টি। স্বাধীন প্রশাসনিক কোনও মনোভাব নেই। এই ঘটলা দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য তরেন তিনি। করোনা আহবে মুখ্যমন্ত্রী সবসময় রাজনৈতিক মনোভাব নিয়ে চলছেন বলে অভিযোগ সুজনের। এটা আড্ডার সময় নয়। মুখ্যমন্ত্রী দুপুরে গিয়েছিলেন রাজনীতি করতে বলে অভিযোগ তাঁর।
[আরও পড়ুন: ‘ফাঁকা চেয়ার অনেক কথা বলে!’ রাজভবনে চা-চক্রে মমতার অনুপস্থিতিতে রুষ্ট ধনকড়]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক