২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ‘কাটমানি’ নিয়ে রাজ্যজুড়ে হইচই-এর রেশ আছড়ে পড়ল বিধানসভাতেও৷ সোমবার অধিবেশনের শুরুতেই বাম ও কংগ্রেস বিধায়করা কাটমানি ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন৷ ওয়েলে নেমে স্লোগান দিতে থাকেন আবদুল মান্নান, সুজন চক্রবর্তী, নেপাল মাহাতো, মনোজ চক্রবর্তীরা৷ যার জেরে অধিবেশনের প্রথমার্ধ্ব প্রায় ভেস্তে যায়৷

[আরও পড়ুন: মাথায় জমেছে বরফ! বাংলাদেশের গৃহবধূকে সুস্থ করলেন কলকাতার চিকিৎসক]

এদিন অধিবেশন শুরু হতেই বাম এবং কংগ্রেস বিধায়করা কাটমানির প্রতিবাদে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ওয়েলে নেমে পড়েন৷ বিক্ষোভ দেখিয়ে অধিবেশন পুরোপুরি বয়কটের ডাক দেন তাঁরা৷ হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা একাধিক কটাক্ষ, স্লোগান৷ সেসব দেখিয়ে তাঁরা হইচই জুড়ে দেন৷ কাটমানি নিয়ে সরকার শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক, এই দাবি উঠতে থাকে৷ কাটমানি ফেরতের জন্য নবান্নে কাউন্টার খোলা হোক, এই কটাক্ষও শোনা যায়৷ বেশ কিছুক্ষণ এ নিয়ে হইহট্টগোল চলে৷ যার জেরে প্রথমার্ধ্বে প্রায় কোনও কাজই হয়নি বিধানসভায়৷ বিরোধীরা দিনের মতো অধিবেশন বয়কটের ডাক দিলেও, বিক্ষোভ প্রদর্শনের পর অবশ্য ফের অধিবেশন কক্ষে ফিরে যান৷ দুপুর দেড়টা থেকে দ্বিতীয়ার্ধ্বের অধিবেশনে যোগ দেন৷

রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির সুবিধা প্রদানে তৃণমূলের নিচুস্তরের নেতারা কাটমানি নিয়েছেন৷ এই অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই৷ সম্প্রতি কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দেন, যা কাটমানি নেওয়া হয়েছে, তার সবটা ফেরৎ দিতে হবে৷ এনিয়ে নবান্নের তরফে একটি টিম তৈরি করে দেওয়া হয়৷ জেলায় জেলায় ঘুরে এই টিম পর্যবেক্ষণ করবে৷ কোথাও কোনও অভিযোগ পেলে, তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব এই টিমের উপর৷ এভাবেই গোটা বিষয়টি সামলানোর চেষ্টা চলছে রাজ্য প্রশসানের তরফে৷

[আরও পড়ুন:দলের ৯৯ শতাংশ নেতাই সৎ, ‘কাটমানি’ প্রসঙ্গে দাবি তৃণমূলের]

তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই কাটমানি ফেরতের দাবিতে জেলায় জেলায় বিক্ষোভ শুরু হয়ে গিয়েছে৷ পঞ্চায়েত স্তরের নেতাদের বাড়ি, অফিসের বাইরে নিত্যদিন টাকা ফেরতের দাবি নিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ৷ এবার সেই বিক্ষোভের প্রতিফলন দেখা গেল রাজ্য বিধানসভার অন্দরে৷   

দেখুন ভিডিও: 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং