Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬

ভাগ্যচক্রের গোলকধাঁধা থেকে মুক্তির পথ কী? পুজোয় বাতলে দেবে দর্জিপাড়া সার্বজনীন

ভাগ্যের চক্রব্যুহ থেকে মুক্তি লাভে মা আদ্যাশক্তির আরাধনায় মেতেছে এই পুজো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৬:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৬:৫৯

options
link
ভাগ্যচক্রের গোলকধাঁধা থেকে মুক্তির পথ কী? পুজোয় বাতলে দেবে দর্জিপাড়া সার্বজনীন zoom

পুজো প্রায় এসেই গেল৷ পাড়ায় পাড়ায় পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে৷ সেরা পুজোর লড়াইয়ে এ বলে আমায় দেখ তো ও বলে আমায়৷ এমনই কিছু বাছাই করা সেরা পুজোর প্রস্তুতির সুলুকসন্ধান নিয়ে হাজির Sangbadpratidin.in৷ আজ পড়ুন হাতিবাগানের দর্জিপাড়া সার্বজনীনের পুজো প্রস্তুতি৷

শুভময় মণ্ডল: মানুষ তাঁর নিজ নিজ আকাঙ্খার দাস। তা সে নানান রকমের আকাঙ্খা হতে পারে। ধনসম্পত্তি লাভের আকাঙ্খা বা ঈশ্বরলাভের। এই মানুষের জীবন অতিবাহিত হয়ে যায়। কিন্তু মানুষের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে তাঁর কর্ম ও ভাগ্য। অভীষ্ট লাভ করতে চায় কর্মফলের দ্বারা। উপরন্তু চাহিদা তো সীমাহীন। আরও চাই, আরও চাই। সন্তুষ্ট হওয়া যায় না এক জনমে। এই সীমাহীন আকাঙ্খার তাগিদে মানুষের জীবন হয়ে ওঠে কর্মব্যস্ত, আরও জটিল। অশান্তও হয়। আসলে তাঁর যাবতীয় কর্ম ও কর্মফলের নিয়ন্ত্রক তাঁর ভাগ্যচক্র। আর সেই ভাগ্যচক্রের লীলাখেলায় আবর্তিত হয় তাঁর জীবন। অভীষ্টলাভের তাড়নায় এই ভাগ্যচক্রের গোলকধাঁধায় আটকা পড়ে যায় মানু।। তখন সেই চক্রব্যুহ থেকে মুক্তির পথ খুঁজে ফেরে। যখন মুক্তির পথ দূর অস্ত তখনই শরণাপন্ন হয় মা শক্তির। পুজোর শহরে এবার সেই ভাগ্যচক্রের গোলকধাঁধা থেকে মুক্তির পথই বাতলে দেবে দর্জিপাড়া সার্বজনীন। ৮৬তম বর্ষে তাদের নিবেদন গোলকধাঁধা। ভাগ্যের চক্রব্যুহ থেকে মুক্তি লাভে মা আদ্যাশক্তির আরাধনায় মেতেছে হাতিবাগানের এই নামী পুজো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

20170901_163840

এবছর থিমের দায়িত্বে তিনজন। শিল্পী অজিত ভৌমিক, নির্মল দত্ত এবং তাপসী চক্রবর্তী। এই শিল্পীত্রয়ের ভাবনায় এবার ভাগ্যচক্রের গোলকধাঁধা ফুটে উঠবে মণ্ডপসজ্জায়। থিম সম্পর্কে বিশদে জানতে পিছিয়ে যেতে হবে মহাভারতের কথায়। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অসীম সাহসী যোদ্ধা অভিমন্যুকে রুখতে চক্রব্যুহ রচনা করেছিল কৌরবরা। অর্জুনপুত্র অভিমন্যু মাতৃগর্ভে থাকাকালীন চক্রব্যুহে প্রবেশের পন্থা জানত, কিন্তু কীভাবে বেরতে হবে তা জানা ছিল না। কৌরবদের সপ্তরথীর ফাঁদা চক্রব্যুহ থেকে বেরতে না পেরে বীরগতি প্রাপ্তি হয় তাঁর। এখানে মণ্ডপসজ্জায় সেই পুরাণের চক্রব্যুহকে মানুষের ভাগ্যচক্র হিসাবে দেখানো হবে। এখানে মানুষের ষড়রিপু হল সপ্তরথীর ভূমিকায়। ভাগ্যচক্র ছাড়াও কুসংস্কারের বেড়াজালে আটকা পড়ে সাধারণ মানুষ। সেই গোলকধাঁধায় ফেঁসে সদ্যোজাত শিশু কীভাবে বার্ধক্যের দোরগোড়ায় পৌঁছেও মুক্তির পথ খুঁজে পায় না। এইভাবেই শেষ হয়ে যায় মানবজনম। কিন্তু যে গোলকধাঁধা থেকে মুক্তির পথই হল মাতৃশক্তির আরাধনা। থিমভাবনায় সেই বিষয়টিই ফুটিয়ে তুলবেন শিল্পীরা। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিমা গড়ছেন শিল্পী শ্রীনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

20170901_163513

কেমন চলছে পুজোর প্রস্তুতি, দেখুন ভিডিওয়-

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.