Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মরা মুরগির আতঙ্কে শহরে আরও দামি হচ্ছে খাসির মাংস

মুরগির দৌলতে দর বাড়ল খাসির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৯, ১৭:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৯, ১৭:০১

options
link
মরা মুরগির আতঙ্কে শহরে আরও দামি হচ্ছে খাসির মাংস zoom
Advertisement

অনির্বাণ বিশ্বাস: মুরগি খাচ্ছেন কিন্তু মুরগি হচ্ছেন না তো!

প্লাস্টিকের ডিম, জলে ভেজালের পর রাজ্যের বাজারে মরা মুরগির মাংসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়া ভরে উঠেছে এমনই রসিকতায়। তবে জ্যান্ত অবস্থায় মুরগি যতটা আলোচনায় ছিল তার থেকে মুরগির ‘দর’ বেড়েছে মুরগির মৃত্যুর পর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মরা মুরগির ব্যবসা বন্ধে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর]

কোথাও মরা মুরগির মাংসের জেরে বেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সন্দেহের চাউনি। আবার কোথাও মরা মুরগি হাসি ফুটিয়েছে খাসির মাংস বিক্রেতাদের মুখে। মরা মুরগি যে এভাবে দর তুলবে তা ভাবতেও পারেননি খাসির মাংসের বিক্রেতারা। শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রায় ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজিতে দর বেড়েছে খাসির মাংসের। নিউমার্কেট হোক বা উল্টোডাঙা, যাদবপুর হোক বা বেহালা, সর্বত্র দাম বেড়েছে খাসির মাংসের। চৈত্র মাস বিয়ের কোনও অর্ডার নেই। তাই খাসির মাংসের চাহিদা কম। কিন্তু গত দু’দিনে অনেকেই মুরগির মাংস থেকে মুখ ফিরিয়েছেন বলে দাবি খাসির মাংস বিক্রেতাদের। বেলেঘাটা বাজারের এক মাংস বিক্রেতার দাবি, আগামী রবিবার খাসির মাংসের চাহিদা আরও বাড়বে বলেই মত। তবে এর সঙ্গে দামের সামঞ্জস্য না থাকলে ব্যবসাতেও প্রভাব পড়তে পারে। তবে মুরগির মাংস খাওয়ার বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন আতঙ্ক ছড়াবেন না। তবে সবাইকে মাথায় রাখতে হবে প্রসেসড মুরগির মাংস বিষয়টি একরকম। আর রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত মুরগির মাংস ফরমালিনে ডুবিয়ে তা বিক্রি করা মাংস আলাদা। তবে জ্যান্ত মুরগি কেটে খাওয়ার পরামর্শই দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সেটাই একমাত্র উপায়।

শহরের বাজারগুলিতে মুরগির মাংসের প্রভাব যে ভাল রকমই পড়েছে তা মেনে নিচ্ছেন বিক্রেতারা। মানিকতলা বাজারের এক বিক্রেতা শম্ভু মাঝি জানিয়েছেন, দোকানে মাংস কিনতে এসে সবাই জ্যান্ত মুরগি কেটে দিতে বলছে। কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব। একটি মুরগি কাটলে কখনও ৯০০ গ্রাম আবার কখনও এক কেজির বেশি মাংস বের হয়। কিন্তু কোনও ক্রেতা ৫০০ গ্রাম মাংস চাইলে তাঁকে কেটে বিক্রি করাটা সমস্যার হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কারণ পরের ক্রেতা কেটে রাখা তাজা মুরগির মাংসও আর নিতে চাইছেন না। তাই বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের বলতে হচ্ছে দু’জন ক্রেতা হলে তবেই গোটা মুরগি কাটা হবে। আর এতেই অনেক ক্রেতা মুখ ফিরিয়ে খাসির মাংসের দোকানে চলে যাচ্ছেন। অবশ্য যাঁরা গোটা মুরগি কিনছেন তাঁদের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনও সমস্যা নেই। আবার বুধবারও দেখা গিয়েছে শহরের পথচলতি খাবার দোকানগুলিতে মুরগির মাংসের নানা পদ অবিক্রিত অবস্থাতেই রয়ে গিয়েছে। কোথাও ঝুলছে শিক কাবাব আবার কোথাও ঝুলছে টেংরি, বোটি, রেশমি কাবাব। একইরকমভাবে মুরগির মাংসের বিভিন্ন পদ তৈরি করে এমন একটি বহুজাতিক সংস্থার বিভিন্ন দোকানেও ক্রেতাদের সাড়ায় ভাটা পড়েছে।

[মরা মুরগিতে মিশছে ফরমালিন, নজরে সস্তার বিরিয়ানি]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.